<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
     xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>প্রথম আলো</title>
    <link>https://www.prothomalo.com</link>
    <description>বাংলাদেশসহ বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ শিরোনাম, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ, খেলা, বিনোদন, চাকরি, রাজনীতি ও বাণিজ্যের বাংলা নিউজ পড়তে ভিজিট করুন।</description>
    <language>bn</language>
    <lastBuildDate>Mon, 17 Aug 2026 07:04:14 +0000</lastBuildDate>
    <ttl>1</ttl>
    <atom:link rel="hub" href="https://pubsubhubbub.appspot.com/"/>
    <atom:link rel="self" href="https://services.prothomalo.com/indexing/news-stories.rss" type="application/rss+xml"/>

    <!-- Item 1 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ঘুমের মধ্যেই মারা গেছেন অভিনেত্রী অনন্যা রাজ ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/t6vmj1qo68</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/t6vmj1qo68</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 07:00:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ বিনোদন ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ বলিউড ]]></category>
        <description><![CDATA[ ভারতীয় অভিনেত্রী অনন্যা রাজ মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/8ik3j9rb/469915765180069615116794202155307110155898106n.jpg.jpeg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতীয় অভিনেত্রী অনন্যা রাজ মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। ‘থাগ্গেদে লে’, ‘৭ আওয়ার্স টু গো’ ও ‘ঘোস্ট’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। খবর বলিউড হাঙ্গামার</p><p> অনন্যার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৫ জুলাই ভোরে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর গত রোববার তাঁর পরিবারের সদস্যরা অনন্যার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।</p><p>বিবৃতিতে পরিবারের সদস্যরা লিখেছেন, ‘অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে জানাচ্ছি, ১৫ জুলাই ভোরে অনন্যা মারা গেছে। ঘুমের মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে তার মৃত্যু হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সে শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। সেসব কাটিয়ে ওঠার জন্য একজন যোদ্ধার মতো লড়াই করেছে সে।’</p><p>মৃত্যুর খবর প্রকাশের পাশাপাশি অনন্যার শেষকৃত্যের কয়েকটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছে তাঁর পরিবার। তাঁকে ‘দৃঢ়চেতা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিবারের সদস্যরা বলেন, অনন্যা নিজের জীবন নিজের মতো করে, ‘রানির মতো’ বাঁচতেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/4z0mbrtb/ananyaraj_official_1773045778_3848908530895702119_50278671419.jpg" /></figure><p>পরিবারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘তোমার অনুপস্থিতি আমরা গভীরভাবে অনুভব করব। সবাইকে অনুরোধ করছি, তাঁর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করুন। এই কঠিন সময়ে আমরা গোপনীয়তা ও নীরবতা বজায় রাখতে চাই।’</p><p>অনন্যা রাজ শুধু সিনেমাতেই অভিনয় করেননি। বিভিন্ন সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মিউজিক ভিডিওতেও তাঁকে দেখা গেছে। টি-সিরিজ, জি মিউজিক ও টাইমস মিউজিকের মতো প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন তিনি। ‘দ্য ফাইনাল এক্সিট’ও তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলোর একটি।</p>আগেই বলে দেয়, আপা পয়সা কম! কত আক্ষেপ নিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী রিনা রহমান<aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/drama/tznioarxu1">আগেই বলে দেয়, আপা পয়সা কম! কত আক্ষেপ নিয়ে চলে গেলেন অভিনেত্রী রিনা রহমান</a></aside><p>তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরিবার বিস্তারিত কিছু জানায়নি। শুধু জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির সঙ্গে লড়াই করছিলেন।<br>অনন্যার মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর তাঁর অনুরাগী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এ সময়ে গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 2 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ব্র্যাক ব্যাংকের মুনাফা ৫৭% বেড়েছে ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/business/corporate/uo2mmgsp44</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/business/corporate/uo2mmgsp44</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:55:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ বাণিজ্য ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ করপোরেট সংবাদ ]]></category>
        <description><![CDATA[ ব্র্যাক ব্যাংক চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা, পরিচালন দক্ষতা ও ব্যালান্স শিট বা স্থিতিপত্র সম্প্রসারণে লক্ষণীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ]]></description>
        <content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/mbipycfm/16-08-26-BRAC-BANK-DISCLOSURE-H1-26085743.jpg" /></figure><p>ব্র্যাক ব্যাংক চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা, পরিচালন দক্ষতা ও ব্যালান্স শিট বা স্থিতিপত্র সম্প্রসারণে লক্ষণীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ৩০ জুন শেষে সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ এই ব্যাংকের সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ৫৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৪২৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ৯০৬ কোটি টাকা। গত জানুয়ারি–জুন সময়ে ব্র্যাক ব্যাংকের একক নিট মুনাফা ৬৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরে ছিল ৬২০ কোটি টাকা।</p><p>সম্প্রতি ব্র্যাক ব্যাংকের ‘ভার্চ্যুয়াল আর্নিংস কল’ শীর্ষক এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী, গবেষণা বিশ্লেষক, পোর্টফোলিও ম্যানেজার ও পুঁজিবাজার–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা যুক্ত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বছরের জানুয়ারি-জুন ছয় মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের আমানত ২৫ শতাংশ এবং ঋণ ও অগ্রিম ১৮ শতাংশ বেড়েছে।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 3 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের পদ অবনমন, সব কাজ থেকে ৫ বছরের অব্যাহতি ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/b0n0n9r37u</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/b0n0n9r37u</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:47:42 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ প্রতিনিধি ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ জেলা ]]></category>
        <description><![CDATA[ সুজন সেনকে সহযোগী অধ্যাপক পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে অবনমন করা হয়েছে। পাঁচ বছর ইনক্রিমেন্ট হবে না। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/a8fd5ebb-2c67-4a59-9572-47810439ff1d/Rajshahi_University.webp" length="102400" type="image/webp" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুজন সেনকে পাঁচ বছরের জন্য সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁকে সহযোগী অধ্যাপক পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে অবনমন করা হয়েছে। পাঁচ বছর তিনি কোনো ইনক্রিমেন্ট পাবেন না।</p><p>অর্থ কেলেঙ্কারি, অযোগ্যতা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের ৫৪৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><p>আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।</p><p>ইফতিখারুল আলম মাসউদ বলেন, পাঁচ বছর পর সুজন সেন সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজে যোগ দেওয়ার যোগ্য হবেন। এরপর আরও চার বছর পর সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য আবেদন করতে পারবেন। অর্থাৎ পদোন্নতির ক্ষেত্রে তাঁকে মোট ৯ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p><p>পছন্দের শিক্ষার্থীকে সুবিধা দেওয়া, অর্থ কেলেঙ্কারি, অযোগ্যতা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুজন সেনকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। পরে ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ছাত্র উপদেষ্টা ও বিভাগের সভাপতির কাছে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ সংযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দেন তাঁরা।</p><p>পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর বিভাগের জরুরি একাডেমিক সভায় এসব অভিযোগের তদন্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সুজন সেনকে বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত শেষে কমিটি তাঁর আচরণকে নৈতিক স্খলন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেয়।</p><p>পরে সুজন সেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সাবেক সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনকে আহ্বায়ক করে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার সিন্ডিকেট সভায় তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 4 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল কুমিল্লার যমজ দুই ভাই, হতে চায় প্রকৌশলী ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/rhpnlqmklv</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/rhpnlqmklv</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:44:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ প্রতিনিধি ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ জেলা ]]></category>
        <description><![CDATA[ কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে যমজ দুই ভাই জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/wn0vbj0a/cumilladh051520260817daudkandi-14-8-26-ddd2.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে যমজ দুই ভাই জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন। উপজেলা সদরের দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তারা এ সাফল্য অর্জন করেছে।</p><p>জাহিদ হাসান ও কাইফ হোসাইন মেঘনা উপজেলার লুটেরচর ইউনিয়নের চরকাঠাঁলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও গৃহিণী নাছরিন আক্তার দম্পতির ছেলে। একই পরিবারের যমজ দুই ভাইয়ের এমন সাফল্যে মা-বাবা, স্বজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আনন্দিত।</p><blockquote>ভবিষ্যতে তারা দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলী হতে চায় এবং সারা জীবন মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে চায় বলে তারা জানায়।</blockquote><p>জিপিএ-৫ পেয়ে জাহিদ ও কাইফ বেশ আনন্দিত। এ সাফল্যের জন্য তারা শিক্ষক ও মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে তারা দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশলী হতে চায় এবং সারা জীবন মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে চায় বলে তারা জানায়।</p><p>তাদের বাবা মো. আবুল কালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার দুই ছেলের একসঙ্গে জন্ম, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা এবং একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা। দুজনই এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরিবারের সবাই আনন্দিত।’</p><p>দাউদকান্দি আদর্শ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, যমজ দুই ভাই সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ব্যানার নিয়ে বিদ্যালয় ফটকে দাঁড়িয়ে আনন্দ উৎসবও করেছে।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 5 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ এনএসইউর শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা ব্যাংকের স্পার্ক কার্ড ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/business/corporate/pnbv771w74</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/business/corporate/pnbv771w74</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:40:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ বাণিজ্য ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ করপোরেট সংবাদ ]]></category>
        <description><![CDATA[ অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলো ও শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/zbo7q3yv/16-08-26-DHAKA-BANK-NSU-SPARK-CARD090056.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা ব্যাংক সম্প্রতি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সঙ্গে যৌথভাবে ‘ঢাকা ব্যাংক প্রেজেন্টস মার্ক্সেলেন্স ২০২৬’ শীর্ষক ইন্টার-ইউনিভার্সিটি ডিজিটাল মার্কেটিং কেস কম্পিটিশনের গ্র্যান্ড ফিনালে আয়োজন করেছে। একই অনুষ্ঠানে ঢাকা ব্যাংক-নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি কো-ব্র্যান্ডেড মাস্টারকার্ড স্পার্ক প্রিপেইড কার্ড চালু করা হয়। এনএসইউর শিক্ষার্থীদের জন্য কার্ডটি চালু করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা ব্যাংক এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>অনুষ্ঠানে ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ওসমান এরশাদ ফয়েজ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মোস্তাক আহমেদ ও হেড অব রিটেইল বিজনেস এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান; এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজির আহমেদ, উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী এবং মাস্টারকার্ডের লিড-মার্চেন্ট অ্যান্ড কমার্স জুবায়ের হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যোগ্য স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা কার্ডটি দেশে-বিদেশে ভ্রমণ, রেস্টুরেন্ট, শিক্ষা, ফ্যাশন ও প্রযুক্তিতে সুবিধা দেবে। আইইএলটিএস, স্যাট, জিম্যাট ও টোয়েফল পরীক্ষার ফি এবং স্টার সিনেপ্লেক্সে ক্যাশব্যাক, নেটফ্লিক্স, স্পটিফাই, চরকি ও হইচইয়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ক্যাশব্যাক এবং কিভা হ্যানে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ মূল্যছাড় মিলবে। এ ছাড়া জিওর্দানো ও পাঠাওয়ে বিশেষ সুবিধা থাকবে।</p><p>অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলো ও শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 6 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে নতুন মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6q17niovw3</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/6q17niovw3</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:39:41 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ নিজস্ব প্রতিবেদক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ বাংলাদেশ ]]></category>
        <description><![CDATA[ ২৪ আগস্ট এই তিনজনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ হাজির করতে বলা হয়েছে। আজ সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-09/772i540m/DIPU0159063849.JPG" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের নতুন একটি মামলায় তিন সাংবাদিককে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা।</p><p>২৪ আগস্ট এই তিনজনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ হাজির করতে বলা হয়েছে। আজ সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।</p><p>শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক। মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান সম্পাদক। আর ফারজানা রুপা একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ও উপস্থাপক।</p><p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার আছেন মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। অন্য মামলায় গ্রেপ্তার আছেন শ্যামল দত্ত। এই তিন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ এনেছে রাষ্ট্রপক্ষ।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 7 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ মেক্সিকোয় আকাশজুড়ে কাগজের বেলুনের উৎসব ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/video/international/46iyhsxuya</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/video/international/46iyhsxuya</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:39:36 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ ভিডিও ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ International ]]></category>
        <description><![CDATA[ মেক্সিকোর আকাশজুড়ে উড়ছে হাতে তৈরি রঙিন কাগজের বেলুন। দেশটির চেরানে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২১তম ‘চেরান কেরি কানতোয়া’ বেলুন উৎসব। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/98l7yq0a/WEB.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>মেক্সিকোর আকাশজুড়ে উড়ছে হাতে তৈরি রঙিন কাগজের বেলুন। দেশটির চেরানে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২১তম ‘চেরান কেরি কানতোয়া’ বেলুন উৎসব।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 8 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ মার্কিন সেনাকে হত্যা বা আটকের জন্য ৩০ হাজার ডলার করে পুরস্কার ঘোষণা ইরানের ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/de7wtaq1m7</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/world/middle-east/de7wtaq1m7</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:34:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ তথ্যসূত্র: ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ মধ্যপ্রাচ্য ]]></category>
        <description><![CDATA[ এ ধরনের আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নিতে ইরানের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক অনুরোধ আসার পর পরিকল্পনাটি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান হাতামি। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/0i0t3ia2/wmremove-transformed.webp" length="102400" type="image/webp" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>যেকোনো মার্কিন সেনাসদস্যকে হত্যা বা বন্দী করতে পারলে ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি। কোনো নারী এ কাজ করতে পারলে পুরস্কারের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হবে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার (আইআরএনএ) বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। এ ধরনের আর্থিক সহায়তায় অংশ নিতে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক অনুরোধ আসার পর এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মেজর জেনারেল হাতামি।</p><blockquote>মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এ কথিত অভিযানগুলো ঠিক কোথায় বা কখন চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে সেনাপ্রধান হাতামি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।</blockquote><p>তবে চলমান সংঘাতে ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন স্থলবাহিনীর কোনো ধরনের মোতায়েন বা উপস্থিতির তথ্য জানা যায়নি। অবশ্য, গত এপ্রিল মাসে ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া একটি উড়োজাহাজের মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে এক বিশেষ অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এ কথিত অভিযানগুলো ঠিক কোথায় বা কখন চালানো হতে পারে, সে বিষয়ে সেনাপ্রধান হাতামি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।</p>ট্রাম্পের ‘পা ভেঙে’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের<aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/bs6hu4q77u">ট্রাম্পের ‘পা ভেঙে’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের</a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 9 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন শেষ আজ, যেভাবে আবেদন করবে শিক্ষার্থীরা ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/education/examination/qz5pyg5h65</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/education/examination/qz5pyg5h65</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:32:23 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ নিজস্ব প্রতিবেদক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ পরীক্ষা ]]></category>
        <description><![CDATA[ চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষার আবেদনের শেষ দিন আজ সোমবার। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-10/clj304mn/WhatsApp-Image-2026-08-10-at-10.34.14.jpeg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন চলছে। ফল প্রকাশের পর দিন ১১ আগস্ট থেকে এ আবেদন শুরু হয়েছে। <a href="https://dhakaeducationboard.gov.bd/data/20260809173628775117.pdf" rel="nofollow">আবেদনের শেষ হবে আজ সোমবার।</a></p><p>ফলাফলে সন্তুষ্ট না হওয়া শিক্ষার্থীরা প্রতিবারের মতো এবারও ফল পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। এবারে পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদনপদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।</p><p><a href="https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd/" rel="nofollow">https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd</a> -এ গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর পূরণ করতে হবে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। অতঃপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।</p>ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এসএসসি উত্তীর্ণদের দিচ্ছে ২ বছরের বৃত্তি, মাসে ২৫০০ টাকা<aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/y03vl9n0z2">ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এসএসসি উত্তীর্ণদের দিচ্ছে ২ বছরের বৃত্তি, মাসে ২৫০০ টাকা</a></aside><p>এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে এই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য বিষয়সমূহ নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।</p><p>প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের আবেদন করতে হবে।</p><p>পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপসমূহ ওপরে উল্লিখিত পোর্টালের ‘হেল্প’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে। ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।</p>একাদশে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে<aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/cduvg8xddt">একাদশে ভর্তিতে এবারও পরীক্ষা নেই, আবেদন ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে</a></aside><p>উল্লেখ্য যে ফি প্রদান করে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে তা করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।</p><p>এ ছাড়া ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সে ক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনো ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদনকৃত বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।</p><p>ম্যানুয়াল কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।</p>হাওর থেকে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ডে, একসঙ্গে তিন বৃত্তি পাওয়া শামসুল আলমের স্বপ্নপূরণের গল্প<aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/fd12xr8qri">হাওর থেকে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ডে, একসঙ্গে তিন বৃত্তি পাওয়া শামসুল আলমের স্বপ্নপূরণের গল্প</a></aside>একাদশে ভর্তি নিয়ে যা জানাল হলি ক্রস কলেজ<aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/nytm2c8wk9">একাদশে ভর্তি নিয়ে যা জানাল হলি ক্রস কলেজ</a></aside>একাদশে ভর্তি নিয়ে যা বলছে নটর ডেম কলেজ<aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/be1oumo1r7">একাদশে ভর্তি নিয়ে যা বলছে নটর ডেম কলেজ</a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 10 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ বাংলাদেশের কাছে হারের পর ৩৮ লাখ টাকা জরিমানার শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া দল ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/w0ecqocie0</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/sports/cricket/w0ecqocie0</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:27:19 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ খেলা ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ ক্রিকেট ]]></category>
        <description><![CDATA[ সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার করে জরিমানা গুনতে হতে পারে। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/g7qpltjw/After_Lost_1st_test_Australia_in_Darwin__1.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>‘হরর শো’। </p><p>ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার হারকে এ দুটি শব্দে বেঁধেছে অস্ট্রেলিয়ান মিডিয়া ‘নিউজ কর্প অস্ট্রেলিয়া’র ওয়েবসাইট নিউজ ডট কম এইউ। প্যাট কামিন্সদের জন্য একটি খারাপ খবরও জানিয়েছে তারা। ধীরগতির ওভার রেটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করার কথা বিবেচনা করছে আইসিসি।</p><p>ডারউইনে গতকাল টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের কাছে হারে প্যাট কামিন্সের দল। এই ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে নির্ধারিত ৯০ ওভারের চেয়ে ৪ ওভার কম বোলিং করেছে অস্ট্রেলিয়া। ২৪ ওভারে ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শেষ করে ১১০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৫১ রানে। অর্থাৎ দ্বিতীয় দিনে খেলা হয়েছে ৮৬ ওভারের। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার করে জরিমানা গুনতে হতে পারে।</p><p>আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার করে বল করতে হয়। সে হিসাবে সারা দিনে অন্তত ৯০ ওভার খেলতে হয়। নিয়ম ভঙ্গের কারণে সর্বনিম্ন ৯০ ওভারের কোটা থেকে প্রতি ওভার কম হওয়ার জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ কেটে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ক্রিকেটের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থার।</p><p>টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যেক খেলোয়াড় ২০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ১৭ লাখ ৩৯ হাজার টাকা) পারিশ্রমিক পান। এর ৫ শতাংশ হলো ১ হাজার ডলার (প্রায় ৮৭ হাজার টাকা)। যেহেতু অস্ট্রেলিয়া দল চার ওভার কম বোলিং করেছে, তাই জরিমানার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৪ হাজার ডলার (প্রায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা) পর্যন্ত। সব মিলিয়ে জরিমানার অঙ্কটা হতে পারে মোট ৪৪ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ৩৮ লাখ ২৭ হাজার টাকা)।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/b9tyv2v8/C-3.png" /></figure><p>তবে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়েরা জরিমানার মুখে পড়বেন কি না, তা নির্ধারণের সময় ভেন্যুর তাপমাত্রা এবং উইকেট পতনের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে পারেন ডারউইন টেস্টের ম্যাচ রেফারি। ডারউইনে ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাই হয়তো তাঁদের এই শাস্তি থেকে বাঁচানোর একমাত্র ভরসা—খেলোয়াড়েরা এমনটাই আশা করছেন বলে জানিয়েছে নিউজ ডট কম এইউ।</p>অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ<aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/6obuxsyev5">অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ</a></aside><p>সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, শুধু জরিমানা নয়, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট তালিকায় অস্ট্রেলিয়ার ৪ পয়েন্টও কেটে নেওয়া হতে পারে। ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে বর্তমানে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া।<br>বাংলাদেশও অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে নির্ধারিত ওভার রেটের চেয়ে পিছিয়ে ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ৫৩ ওভারে অলআউট করায় শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যাচ্ছে তারা।</p><p>আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দল যদি অন্তত ৮০ ওভার ব্যাট না করে কিংবা ম্যাচে নিজেদের দুই ইনিংসে মিলিয়ে ১৬০ ওভারের কম খেলে অলআউট হয়, তবে শাস্তিটি প্রযোজ্য হয় না। গত গ্রীষ্মে অ্যাশেজ সিরিজে এ নিয়মের কারণে একাধিকবার বেঁচে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তবে এবার আর তা হচ্ছে না। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/n6pd4hap/C-2.png" /></figure><p>বাংলাদেশ দল তাদের প্রথম ইনিংসে ১৩৮ ওভার ব্যাট করায় অস্ট্রেলিয়া দল এখন শাস্তি পাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ২০২০ সালে বক্সিং ডে টেস্টে ধীরগতির ওভার রেটের কারণে ৪ পয়েন্ট কাটা যাওয়ায় ২০২১ সালে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া।</p>অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর গোপন ফর্মুলা জানালেন হাবিবুল বাশার <aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/192ksrsrrd">অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর গোপন ফর্মুলা জানালেন হাবিবুল বাশার </a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 11 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ জাহাজভাঙা শিল্প: প্রাণহানি আর স্বজনের আহাজারি ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/f7tow50rt4</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/f7tow50rt4</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:25:15 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ জুয়েল শীল ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ bangladesh ]]></category>
        <description><![CDATA[ জাহাজভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ঠেকাতে গ্যাস পরীক্ষা, ক্রেন-হুক পরিদর্শন, সুরক্ষা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের নিয়ম রয়েছে। ]]></description>
        <content:encoded><![CDATA[ <p>জাহাজভাঙা শিল্পে দুর্ঘটনা ঠেকাতে গ্যাস পরীক্ষা, ক্রেন-হুক পরিদর্শন, সুরক্ষা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের নিয়ম রয়েছে। এরপরও থামছে না শ্রমিকের মৃত্যু। সর্বশেষ গত শুক্রবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে প্রাণ গেছে ৯ জন শ্রমিকের। দুর্ঘটনার পর ইয়ার্ডে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা। তবে স্বজনদের কান্না আর শোকের ভারে আবারও সামনে এসেছে শ্রমিকের নিরাপত্তার প্রশ্নটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/y7n794z1/1.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/saiy33t2/2.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/cdv0f72i/3.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/5h5zbqtj/4.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/cv642tq1/5.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/g05e6on4/6.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/15w2pqtu/7.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/pmu6l329/8.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/a7uqlem6/9.JPG" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/c04dehyg/10.JPG" /></figure> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 12 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান-এমডিসহ চার পরিচালকের পদত্যাগ ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/business/bank/l7xv27vscf</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/business/bank/l7xv27vscf</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:21:31 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ নিজস্ব প্রতিবেদক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ ব্যাংক ]]></category>
        <description><![CDATA[ অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে আলোচিত উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান, এমডিসহ চার পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। তাঁদের পদত্যাগের পর পর্ষদে পরিচালক আছেন মাত্র দুজন। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/59979533-23c6-42e7-b628-639dc88ed005/Untitled-1.png" length="102400" type="image/png" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) চার পরিচালক একযোগে পদত্যাগ করেছেন। গতকাল রোববার তাঁরা বাংলাদেশ ব্যাংকে পদত্যাগপত্র জমা দেন।</p><p>পদত্যাগ করা চারজন হলেন উত্তরা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ও এনআরবিসি ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুখতার হোসেন; স্বতন্ত্র পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নিয়ামুল কবির; স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ালি উল্লাহ।</p><p>চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক ও উত্তরা গ্রুপের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) মাহবুব আলমকে নিয়ে পাঁচ সদস্যের পর্ষদ গঠন করা হয়। এমডি হিসেবে ওয়ালি উল্লাহ তার আগে থেকেই দায়িত্বে ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে কোম্পানির এমডি হিসেবে যোগ দেন।</p><p>চার পরিচালকের পদত্যাগের পর উত্তরা ফাইন্যান্সের পর্ষদে পরিচালক হিসেবে এখন দুজন আছেন। তাঁরা হলেন স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আজম এবং উত্তরা গ্রুপের সিএফও ও পরিচালক মাহবুব আলম এফসিএমএ।</p><p>পদত্যাগের বিষয়ে বক্তব্যের জন্য উত্তরা ফাইন্যান্সের এমডির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।</p><h3>যেভাবে পর্ষদ ভেঙেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক

</h3><p>আমানতের অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না করে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ২০২২ সালে উত্তরা ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটির মূল উদ্যোক্তা উত্তরা গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালককে অপসারণ করা হয়।</p><p>অপসারিত পাঁচ পরিচালক হলেন তৎকালীন চেয়ারম্যান রাশেদুল হাসান; উত্তরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান মতিউর রহমান; তাঁর ভাই ও পরিচালক মুজিবুর রহমান এবং উত্তরা পরিবারের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালক জাকিয়া রহমান ও নাঈমুর রহমান।</p><p>মূলত ২০১৯ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনে উত্তরা ফাইন্যান্সের এসব অনিয়ম ধরা পড়ে। এর মধ্যে ছিল আমানতের অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না দিয়ে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার, কলমানির অর্থ নিয়মবহির্ভূতভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, অগ্রিম ও প্রি-পেমেন্টের নামে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ বের করে নেওয়া ও ভুয়া এফডিআরের বিপরীতে ঋণ দেওয়া। সব মিলিয়ে অন্তত ৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকার অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।</p><p>এসব অনিয়মের ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন এমডি এস এম শামসুল আরেফিনকে ২০২২ সালের জুন মাসে অপসারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 13 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ভূমধ্যসাগরে ১০ দিন ভাসছিল নৌকাটি, মারা যান ১০ জন ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/6suuafru01</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/6suuafru01</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:14:01 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ নিজস্ব প্রতিবেদক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ বাংলাদেশ ]]></category>
        <description><![CDATA[ দূতাবাসের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মানব পাচার চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার তবরুক থেকে রওনা হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল নৌকাটি। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/xd8rwgfn/Mediterranean-Sea.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ভূমধ্যসাগরে ভাসমান একটি রাবারের নৌকা থেকে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে মিসরের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। গতকাল রোববার মিসরের কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস এই তথ্য জানায়।</p><p>দূতাবাসের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মানব পাচার চক্রের সহায়তায় লিবিয়ার তবরুক থেকে রওনা হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল নৌকাটি। যাত্রাকালে নৌকাটি দিকভ্রষ্ট হয়। পরে ২৯ জন বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীসহ নৌকাটি মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে এসে পৌঁছায়। তখন তাঁদের উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। উদ্ধার করা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জন গুরুতর অসুস্থ ও অচেতন অবস্থায় ছিলেন। উদ্ধার করা ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য মিসরের মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।</p><p>দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিষয়টি জানার পর দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. জাকির হোসেন স্থানীয় পুলিশসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, তাদের তত্ত্বাবধানে ২৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালের একজন কর্মীর সহায়তায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি আবদুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে জাকির হোসেনের কথা হয়।</p><p>আবদুল করিমের ভাষ্যের বরাতে দূতাবাস জানায়, ৩ আগস্ট ৩৮ জন বাংলাদেশি ও ৪ জন সুদানিসহ মোট ৪২ জন লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসের উদ্দেশে একটি রাবারের নৌকায় যাত্রা করেন। নৌকাটি একটি স্পিডবোট ইঞ্জিন দিয়ে চলছিল। নৌকায় কোনো নেভিগেশনব্যবস্থা ছিল না। যাত্রার আগে তাঁদের জানানো হয়েছিল, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছাতে প্রায় ৩৬ ঘণ্টা লাগবে। একপর্যায়ে জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। নৌকাটি দিকভ্রষ্ট হয়। প্রায় ১০ দিন ভূমধ্যসাগরে ভাসমান অবস্থায় ছিল নৌকাটি। এভাবে ভাসতে ভাসতে ১৩ আগস্ট নৌকাটি মিসরের মারসা মাতরুহ এলাকার উপকূলে এসে পৌঁছায়।</p><p>দূতাবাস বলছে, আবদুল করিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় তীব্র গরম, প্রচণ্ড সূর্যের তাপ, খাদ্য ও পানির অভাবে ৯ জন বাংলাদেশি ও ১ জন সুদানিসহ মোট ১০ জন অসুস্থ হয়ে মারা যান। একপর্যায়ে মৃতদেহগুলোয় পচন ধরে। তখন মৃতদেহগুলো সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে বাধ্য হন জীবিত যাত্রীরা।</p><p>ঘটনাটি জানার পর থেকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়। দূতাবাস বলছে, মিসরে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তারা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে। প্রয়োজনীয় কনস্যুলারসহ অন্যান্য সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা সুস্থ হয়ে উঠলে মিসরের প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের দ্রুততম সময়ে বাংলাদেশে পাঠাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 14 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ চাকরি বাঁচাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে যেভাবে পাল্লা দিচ্ছেন চীনের কর্মীরা ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/7cot7lj0y7</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/7cot7lj0y7</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:11:21 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ প্রথম আলো ডেস্ক ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ খবর ]]></category>
        <description><![CDATA[ চীনে দ্রুত প্রসারিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলছে। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-10/k6vc6m05/4.-ai-job-loss.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>সারা বিশ্বের মতো চীনেও দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। চালকবিহীন ট্যাক্সি থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ—বিভিন্ন খাতে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ছে। বিভিন্ন খাতের মতো এর প্রভাব পড়ছে কর্মসংস্থানেও।</p><h3>চালকবিহীন ট্যাক্সিতে আয় কমেছে ট্যাক্সিচালকদের</h3><p>চীনের উহান শহরের ৪৫ বছর বয়সী ট্যাক্সিচালক ইয়াও শিননংয়ের অভিজ্ঞতা এর একটি উদাহরণ। ২০২২ সালে প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান বাইদু শহরে ‘অ্যাপোলো গো’ নামের চালকবিহীন ট্যাক্সি চালু করে। এরপর ইয়াওয়ের আয় প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়। চলতি বছরের মার্চে অ্যাপোলো গোর কয়েকটি গাড়ি হঠাৎ রাস্তায় থেমে যায়। এতে যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পড়েন। তদন্তের জন্য কয়েক মাস উহানের সড়ক থেকে এসব গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়।</p><p>উহানে চালকবিহীন ট্যাক্সি চালুর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ট্যাক্সিচালকদের বিক্ষোভও হয়েছিল। তবে এতে কতজন অংশ নিয়েছিলেন, তা স্পষ্ট নয়। কারণ, বিক্ষোভের খবর দ্রুত সেন্সর করা হয়।</p>সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে, যেকোনো সময় ঘোষণা: মুখ্য সচিব<aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/n893fovihi">সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে, যেকোনো সময় ঘোষণা: মুখ্য সচিব</a></aside><h3>গিগ অর্থনীতির ওপরও চাপ</h3><p>চীনে এআইয়ের বিস্তার এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন দেশটির শ্রমবাজার আগেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। আবাসন খাত ও শিক্ষা খাতের মতো একসময় বড় কর্মসংস্থানের উৎস থাকা শিল্পগুলো সংকটে পড়েছে। অনেক কর্মী আয় ধরে রাখতে রাইড হেইলিং ও অন্যান্য গিগ কাজে যুক্ত হয়েছেন।</p><p>একটি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের হিসাবে, চলতি বছর চীনে নমনীয় বা অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে থাকা মানুষের সংখ্যা ৩২ কোটি ছাড়াতে পারে। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ কোটি। অর্থাৎ চীনের মোট কর্মশক্তির প্রায় ৪৪ শতাংশ এ ধরনের কাজে যুক্ত হতে পারেন।</p>বিসিএস ভাইভায় কম্পিটেন্সি–বেজড প্রশ্ন: ‘স্টার’ মেথডে যেভাবে প্রস্তুত হবেন<aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/76mhgbwibs">বিসিএস ভাইভায় কম্পিটেন্সি–বেজড প্রশ্ন: ‘স্টার’ মেথডে যেভাবে প্রস্তুত হবেন</a></aside><h3>এআই নিয়ে সরকারের অবস্থানে পরিবর্তন</h3><p>চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে বলেন, ‘এআইকে অভিন্ন সমৃদ্ধি ও সবার নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হতে হবে।’</p><p>তবে এআইয়ের কারণে কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়েও এখন সতর্ক হচ্ছে চীন সরকার।</p><h3>চাকরি হারাচ্ছেন সাদা–কলারের কর্মীরাও</h3><p>এআইয়ের প্রভাব শুধু ট্যাক্সিচালকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এআইয়ের কারণে চাকরি হারানো শ্বেত–কলার কর্মীদের নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।</p><p>সম্প্রতি দেশটির কয়েকটি আদালতের রায়ে এআইয়ের কারণে চাকরি হারানো কর্মীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p><p>তবে অনেক কর্মীর আশঙ্কা, চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগেই তাঁদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে এআই।</p><h3>আসছে সময়ে কী হবে</h3><p>বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের সরকার এআইয়ের কারণে চাকরি হারানোর প্রভাব নিয়ন্ত্রণে বেশি সক্ষম।</p><p>সরকার চাইলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্টসংখ্যক কর্মী নিয়োগের নির্দেশ দিতে পারে। এমনকি এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থান রক্ষার নীতি চাপিয়ে দিতে পারে বেইজিং। তবে কর্মীদের জন্য এই সুরক্ষা কত দ্রুত আসবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। <a href="https://www.theguardian.com/world/2026/jul/31/china-ai-jobs-workers-labour-market-technology" rel="nofollow">তথ্যসূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান</a></p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 15 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর গোপন ফর্মুলা জানালেন হাবিবুল বাশার ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/192ksrsrrd</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/sports/cricket/192ksrsrrd</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:02:11 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ তারেক মাহমুদ ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ ক্রিকেট ]]></category>
        <description><![CDATA[ হাবিবুল বাশারের কাছে প্রশ্ন ছিল, ‘ডারউইন টেস্টের জয়ে কোন জিনিসটা আপনার বেশি ভালো লেগেছে?’ ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/pmbeon9b/After-Win-against-1st-test-against-Australia-in-Darwin12.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>হাবিবুল বাশারের কাছে প্রশ্ন ছিল, ‘ডারউইন টেস্টের জয়ে কোন জিনিসটা আপনার বেশি ভালো লেগেছে?’</p><p>আপাতদৃষ্টিতে সহজ প্রশ্ন মনে হলেও এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াটা সহজ নয়। ভালোর তালিকাটা যে অনেক লম্বা এখানে! সেই দীর্ঘ তালিকার মধ্যে হাবিবুলের পক্ষপাত কোন দিকে, জানার চেষ্টা হয়েছিল আসলে সেটিই।</p><p>কিন্তু হাবিবুল সহজ-কঠিন কোনো পথেই হাঁটলেন না। আসলে ভালোর যে তালিকার কথা বলা হলো, সেখানে তো সবই মাঠের উপাদান! দলের সঙ্গে থাকার সূত্রে প্রধান নির্বাচকের দৃষ্টিতে এমন আরও অনেক কিছুই পড়ার কথা, ক্রিকেটারদের মাঠের পারফরম্যান্স যেগুলোর বহিঃপ্রকাশ মাত্র। আসল রহস্যটা থেকে যায় আড়ালে, ধরা পড়ে শুধু দলের কাছে থাকাদের চোখে।</p><p>প্রধান নির্বাচক সেই আড়াল থেকেই টেনে আনলেন কিছু প্রসঙ্গ, যার মূলে আছে ক্রিকেটারদের চাপহীন থাকার দৃঢ় মানসিকতা, নিজেদের ওপর আস্থায় অবিচল থাকা। বলতে পারেন, যে টেস্টের আপাদমস্তক বাংলাদেশই ভালো খেলে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখল, সেই টেস্টে আবার বাংলাদেশের চাপ আসে কোত্থেকে!</p><p>রহস্যটা এখানেই এবং সেটা শুনুন হাবিবুলের মুখ থেকে, ‘এ ধরনের ম্যাচেও চাপ থাকে। একটি সেশন আপনি ভালো খেলছেন মানে পরের সেশনে ভালো খেলার চাপ তৈরি হওয়া। টানা ভালো খেলে যাচ্ছেন মানে সেই ভালো খেলা ধরে রাখার চাপ আসা। এই টেস্টে আমাদের ক্রিকেটাররা খুব ভালো খেলেছে, তবে আমি কৃতিত্ব দেব তাদের চাপমুক্ত থাকার মানসিকতাকে। এটাই তাদের শেষ পর্যন্ত এগিয়ে রেখেছে। তারা সব সময় টেনশন ফ্রি ছিল।’</p><p>হাবিবুল উদাহরণ হিসেবে গতকাল সকালের একটা পর্যবেক্ষণ বললেন। সেটি একটু বিস্তারিতই লেখা যাক, ‘আমরা জানি, আজকের (গতকাল) দিনটা আমাদের জন্য অন্য রকম ছিল, কিছু একটা হয়ে যেতে পারে; কিন্তু ধরুন এই জায়গায় এসে যদি না পারে, সেই চাপ তো থাকতে পারে! যদি উল্টাপাল্টা কিছু ঘটে যায়! কিন্তু সকালে হোটেলে দেখলাম, খেলোয়াড়দের মধ্যে সে রকম কিছু নেই। সবাই স্বাভাবিক, আর দশটা দিনের মতোই। ওদের এই মানসিকতাটাই ভালো লেগেছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-27/iidi4h9i/WhatsApp-Image-2026-07-27-at-1.12.22-PM.jpeg" /></figure><p>কাল ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে অন্য একটা প্রসঙ্গেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের মধ্যে একই রকম নির্ভার মনোভাব দেখা গেছে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, হারারেতে সর্বশেষ টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস হারের ঠিক পরের টেস্টেই অস্ট্রেলিয়াকে কীভাবে উড়িয়ে দেওয়া গেল? মাঝে আবার তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচেও ইনিংস হার! ধারাবাহিক ব্যাটিং ব্যর্থতা মারারা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কোন বাঁকে এসে এতটা ‘ইউ টার্ন’ নিল? মাঠের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ; কিন্তু এত জোরে তুড়িটা তারা মারল কোন শক্তি দিয়ে!</p><p>ক্রিকেটীয় কোনো ব্যাখ্যা নেই এর। হ্যাঁ, দিন-রাত খাটাখাটনি করে আসেনি এই সাফল্য। এসেছে মনটাকে বুঝিয়ে—জিম্বাবুয়েতে খারাপ হয়েছে বলেই আমরা ভালো খেলি না, তা নয়। আমরা আমাদের ভালোটা সেখানে খেলতে পারিনি, এটাই হয়েছে সমস্যা। অস্ট্রেলিয়ায় ভালো খেলব। নাজমুলের কথার বাকিটা এ রকম, ‘জিম্বাবুয়ের ওই ম্যাচ আমাদের খেলোয়াড়দের মধ্যে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। ওটাকে কোনো সমস্যা মনে করিনি আমরা।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/mx75luf2/After_Win_against_1st_test_against_Australia_Player_ofthe_match_Hasan_in_Darwin__1.jpg" /></figure><p>তবে প্রস্তুতিতে বিশেষ কিছু করার চেষ্টা সব সময়ই থাকে, এবারও তা ছিল। ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার নিতে এসে সে ব্যাপারে কিছুটা ধারণা দিয়েছেন হাসান মাহমুদ, ‘সতীর্থ ও কোচদের সঙ্গে বসে ভিডিও বিশ্লেষণ করে আমরা আমাদের পরিকল্পনা ঠিক করেছি। মাঠে আমরা ঠিক সেটিই বাস্তবায়ন করেছি।’</p><p>দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিলেও বোলারদের সাফল্যের প্রশ্নে তিনি শুধু নিজের কথাই বললেন না, ‘সব বোলারই দারুণ ধৈর্য দেখিয়েছে। তারা সঠিক প্রক্রিয়া মেনে নির্দিষ্ট লাইন-লেংথ ধরে রেখে বোলিং করে গেছে, যার সুফল দল পেয়েছে।’</p><p>আরেকটা ব্যাপার, ডারউইনে এত বড় সাফল্যের পরও বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা আনন্দের আতিশয্যে ভেসে যাননি। টেস্ট জয়ের পর মাঠেই আনন্দ-উল্লাস যা হওয়ার হয়েছে, এরপর ড্রেসিংরুমে একটু হাঁকডাক। তারপর সব শেষ। হোটেলে ফিরে যে যার নিত্যজীবনে ফিরে গেছেন। সত্যি বলতে কী, অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর পরমুহূর্ত থেকে ডারউইন-জয়ের চেয়েও ক্রিকেটারদের কাছে সবচেয়ে বড় শান্তির বিষয় হলো, ‘আজ কোনো কাজ নেই, আজ আমাদের ছুটি।’</p>প্রথম ৩০ টেস্টে শূন্য জয়, সর্বশেষ ১০ টেস্টে চার—বদলে যাওয়ার এই গল্প বাংলাদেশের<aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/lhp1j8kbrb">প্রথম ৩০ টেস্টে শূন্য জয়, সর্বশেষ ১০ টেস্টে চার—বদলে যাওয়ার এই গল্প বাংলাদেশের</a></aside><p>ডারউইন টেস্টের আজ পঞ্চম ও শেষ দিন ছিল; কিন্তু জয়ের আনুষ্ঠানিকতা কালই শেষ হয়ে যাওয়ায় আজ ছুটি সবার। কাল সকালে ম্যাকাইয়ের ফ্লাইট, যেখানে হয়তো তাদের জন্য অপেক্ষায় আছে আরও লোভনীয় কোনো জ্যাকপট!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/g7qpltjw/After_Lost_1st_test_Australia_in_Darwin__1.jpg" /></figure><p>বিপরীত কিছুও হতে পারে, তবে ভালোর পর আরও ভালো কিছুর আশাই তো করে মানুষ। আর ডারউইনের ভালোটা তো স্রেফ একটা টেস্ট জয়ই নয়, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসেই একটা নাড়া দেওয়া। এশিয়ার টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলঙ্কা আজ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারাতে পারেনি। পাকিস্তান সর্বশেষ এখানে টেস্ট জিতেছে ১৯৯৫ সালে। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে এই শতাব্দীতে এত দিন একমাত্র ভারতই ছিল, যারা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে হারাতে পেরেছে। এবার হারাল বাংলাদেশ; সেটিও এমন একসময়ে, যখন টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের সবার ওপরে বসে আছে অস্ট্রেলিয়া।</p>অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ<aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/6obuxsyev5">অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন মিরাজ</a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 16 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ঘুমের মধ্যে হঠাৎ মনে হয় পড়ে যাচ্ছেন, কেন এমন হয় ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/lzppgzkpl4</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/lzppgzkpl4</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:00:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ রাফিয়া আলম ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ সুস্থতা ]]></category>
        <description><![CDATA[ ঘুমাতে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো, আপনি বুঝি পড়ে যাচ্ছেন। চমকে উঠলেন কিংবা কেঁপে উঠলেন। এমন ঘটনা কি আপনার সঙ্গেও ঘটেছে কখনো? বিষয়টির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানুন। ]]></description>
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ঘুমাতে গিয়ে হঠাৎ মনে হলো, আপনি বুঝি পড়ে যাচ্ছেন। চমকে উঠলেন কিংবা কেঁপে উঠলেন। এমন ঘটনা কি আপনার সঙ্গেও ঘটেছে কখনো? বিষয়টির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছিল স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের নিউরোমেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ <strong>ডা. ইসরাত জেরিন আলম</strong>-এর কাছে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন <strong>রাফিয়া আলম</strong></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/7fovhv1l/Lifestyle-Social-Image.jpg" /></figure><p>ঘুমের সময় অনেকেরই হঠাৎ মনে হয়, পড়ে যাচ্ছি। শরীরের পতন ঠেকাতে তখন নড়েচড়ে বা কেঁপে ওঠে হাত-পা। সাধারণত শরীরের যেকোনো একটা পাশ নড়ে ওঠে।</p><p>এই নড়াচড়ায় ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এমন ঘটনাটাকে বলা হয় ‘হিপনিক জার্ক’। এমন অবস্থায় চমকে গিয়ে ঘুম ভেঙে যেতে পারে। অস্বস্তি হতে পারে।</p><p>শোয়া অবস্থায় হিপনিক জার্ক হলেও ওই সময় কারও মনে হতে পারে, তিনি হয়তো দাঁড়ানো অবস্থা থেকে পড়ে যাচ্ছেন। কিংবা তিনি হাঁটতে হাঁটতে পড়ে যাচ্ছেন। একটা স্বপ্নের মতো আবেশের মধ্যে থাকতে পারেন তিনি ওই মুহূর্তে। তবে সেটা ঠিক স্বপ্ন নয়; বরং হ্যালুসিনেশন (ভ্রম)।</p><p>কখনো কখনো দেখা যায়, হিপনিক জার্কে ব্যক্তির ঘুম না ভাঙলেও শরীরের এই আকস্মিক নড়াচড়া টের পেয়ে চমকে ওঠে পাশে থাকা মানুষটা।</p><h3>বিষয়টা আদতে কী

</h3><p>পৃথিবীব্যাপী বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, হিপনিক জার্ক মস্তিষ্কের ‘মিসফায়ার’-এর জন্য ঘটে। বিষয়টা একটু সহজভাবে বুঝিয়ে বলা যাক।</p><p>ঘুমানোর সময় আমাদের শরীরের পেশিগুলো শিথিল অবস্থায় থাকে। মস্তিষ্কও বিশ্রাম পায়। তবে ঘুম ও জাগরণের মাঝামাঝি সময়ে শরীর যখন শিথিল হতে শুরু করে, তখন মস্তিষ্কের কিছু অংশ (বিশেষ করে রেটিকুলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম, যা পেশির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করে) পুরোপুরিভাবে ঘুমের সংকেত না-ও পাঠাতে পারে।</p><p>এ সময় শরীর শিথিল হওয়াকে ‘পতন’ বা বিপদের সংকেত হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করে মস্তিষ্ক পেশিকে সংকুচিত হতে নির্দেশ দেয়। এটাই হিপনিক জার্ক।</p><p>অর্থাৎ মস্তিষ্ক শরীরকে রক্ষা করার জন্যই সংকেত পাঠাল বা ‘ফায়ার’ করল। তবে এটা ‘মিসফায়ার’। এই ‘ফায়ার’-এর আদতে কোনো প্রয়োজনই ছিল না। কারণ, শরীর বিছানাতে নিরাপদেই আছে।</p>ঘুমের মধ্যে কেন অতিরিক্ত হাত–পা নাড়াচাড়া হয়<aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/8q2gei0win">ঘুমের মধ্যে কেন অতিরিক্ত হাত–পা নাড়াচাড়া হয়</a></aside><h3>কেন হয়

</h3><p>হিপনিক জার্কের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। গবেষণার ফলাফল বলছে, মোটামুটিভাবে ৭০ শতাংশ মানুষেরই জীবনে কখনো না কখনো হিপনিক জার্ক হয়েছে। সাধারণত শৈশবের চেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যাওয়ার পরই এ ঘটনা বেশি ঘটে। তবে সেটা মস্তিষ্কের কোনো বয়সজনিত পরিবর্তনের কারণে নয়।</p><p>মস্তিষ্কের বিশ্রামে বাধা হয়ে দাঁড়ানো যেসব বিষয়ের কারণে হিপনিক জার্কের সম্ভাব্যতা বাড়তে পারে—</p><ul><li><p>মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা</p></li><li><p>ঘুমের ঘাটতি</p></li><li><p>ঘুমের আগে ভারী ব্যায়াম</p></li><li><p>নিকোটিন</p></li><li><p>অ্যালকোহল</p></li><li><p>অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা ঘুমের আগে ক্যাফেইন</p></li></ul>ঘুমের মধ্যে চিৎকার করছেন না তো?<aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/5muh7bwqfk">ঘুমের মধ্যে চিৎকার করছেন না তো?</a></aside><h3>হিপনিক জার্ক হলে কী করবেন</h3><p>হিপনিক জার্ক হলে মস্তিষ্ক বা শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। তবে বিষয়টা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই হিপনিক জার্ক কমানোর চেষ্টা করতে পারেন। পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব না-ও হতে পারে। তবে প্রায়ই এমন হলে এসব বিষয় খেয়াল রাখুন—</p><ul><li><p>মানসিক চাপ এবং দুশ্চিন্তা কমাতে চেষ্টা করুন। ইতিবাচক চিন্তা করুন। ঘুমের আগে ধ্যান করতে পারেন, হালকা ধরনের বই পড়তে পারেন, কুসুম গরম পানিতে গোসল করতে পারেন, পোশাক বদলে নেওয়াও ভালো।</p></li><li><p>রোজ একই সময়ে ঘুমাতে এবং উঠতে চেষ্টা করুন, এমনকি ছুটির দিনেও।</p></li><li><p>খেয়াল রাখুন, ঘুমের সময় ঘর যেন অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে না থাকে।</p></li><li><p>নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। তবে ঘুমের আগে ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো।</p></li><li><p>ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।</p></li><li><p>অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ করবেন না। ঘুমের আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, কেবল চা-কফিতেই নয়, এনার্জি ড্রিংক এবং চকলেটেও ক্যাফেইন থাকে।</p></li></ul><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-11/ovv0frbc/WhatsApp-Image-2025-09-11-at-5.13.19-PM-2.jpeg" /></figure><h3>কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে

</h3><ul><li><p>ঘুমের মধ্যে হিপনিক জার্ক ছাড়া যদি অন্য ধরনের নড়াচড়া বা খিঁচুনি হয়।</p></li><li><p>ঘুমের সময় ছাড়া অন্য সময়ও অর্থাৎ জেগে থাকা অবস্থাতেও যদি শরীরের কোনো পেশি কেঁপে ওঠে বা নড়ে ওঠে।</p></li><li><p>ঘুমের মধ্যে যদি কেউ চিৎকার করেন, ধস্তাধস্তি করেন, পাশের মানুষটাকে আঘাত করেন, কোনো কিছু খাওয়ার চেষ্টা করেন কিংবা অন্য কোনো অস্বাভাবিক কাজ করেন।</p></li></ul>ঘুমের মধ্যে দাঁত কিড়মিড়? আপনারও কি ‘নাইট ব্রুকসিজম’ আছে<aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/jnrbclgxbl">ঘুমের মধ্যে দাঁত কিড়মিড়? আপনারও কি ‘নাইট ব্রুকসিজম’ আছে</a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 17 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ রাজশাহীতে উৎপাদন খরচ ‘উঠছে না’, হতাশ পানচাষিরা ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/j1tt01b5eu</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/j1tt01b5eu</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 06:00:00 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ শফিকুল ইসলাম ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ জেলা ]]></category>
        <description><![CDATA[ কয়েকজন চাষির ভাষ্য, বরজ তৈরির বাঁশসহ অন্যান্য উপকরণের দাম অনেক বেড়েছে। প্রতি বিড়া পান ৫০ টাকার বদলে অন্তত ৮০ টাকা হলে চাষিদের জন্য ভালো হতো। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-17/86huo5o5/RAJSHAHIDH109220260816IMG2026081607411801.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>পানচাষিদের ভাষ্য, সার, কীটনাশকসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে। কিন্তু হাটে সেই তুলনায় পানের দাম বাড়েনি।</p><p>‘বরজে পান তো আর ফেলে রাখা যায় না। প্রতি বিড়া অন্তত ১৫ টাকা আশা করেছিলাম। কিন্তু দাম বলা হচ্ছে মাত্র ১০ টাকা। এক বিঘা জমিতে পান চাষ করে এখন চরম লোকসানে আছি। পান বিক্রি করে সংসার চালানো যাচ্ছে না।’—আক্ষেপের সঙ্গে বলছিলেন রাজশাহীর মোহনপুরের পানচাষি মো. এরশাদ।</p><p>গতকাল রোববার সকালে রাজশাহীর অন্যতম পান বিক্রয়কেন্দ্র মোহনপুরের মৌগাছি পান হাটে কথা হয় এই চাষির সঙ্গে। সেখানে কথা হয় আরও বেশ কয়েকজন পানচাষির সঙ্গে।</p><p>পানচাষিদের ভাষ্য, পানের উৎপাদন খরচের তুলনায় বিক্রয়মূল্য কম। সার, কীটনাশক, খইল, সেচ, বাঁশ-খুঁটি, শ্রমিকের মজুরিসহ সবকিছুর দাম বেড়েছে। কিন্তু হাটে সেই তুলনায় পানের দাম বাড়েনি। এতে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন অনেক চাষি।</p><p>চাষিরা জানান, বর্তমানে ছোট আকারের পান মানভেদে প্রতি বিড়া ১০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের পান ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হলেও তা উৎপাদন খরচের তুলনায় কম।</p><p>রাজশাহীতে ১ বিড়ায় ৬৪টি পান থাকে, ৩২ বিড়ায় হয় ১ পোয়া। বাজারে সাধারণত বিড়া ও পোয়া—দুই হিসাবেই পান বিক্রি হয়।</p><div><blockquote>লাভ তো দূরের কথা, শুধু হাতে নগদ টাকা পাওয়ার জন্য পান বিক্রি করতে হচ্ছে।  </blockquote><span class="attribution">মো. জিয়াউল ইসলাম, পানচাষি</span></div><p>পানচাষি মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, ১ বিড়া পান ৩৫ টাকায় বিক্রি হলে কোনো রকমে খরচ ওঠে। এখন এর তিন ভাগের এক ভাগ দাম পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘লাভ তো দূরের কথা, শুধু হাতে নগদ টাকা পাওয়ার জন্য পান বিক্রি করতে হচ্ছে।’</p><p>হাটে দেখা যায় মো. সোহেল রানার সঙ্গে পান ব্যবসায়ীদের দর-কষাকষি চলছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ওই দামে পান বিক্রি করলেন না। সোহেল বলেন, এক বিঘা জমিতে বরজ তৈরি ও চারা রোপণ করতেই প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়। এরপর সারা বছর পরিচর্যা, সার ও কীটনাশকে আরও প্রায় এক লাখ টাকা লাগে। অর্থাৎ, বছরে প্রায় দুই লাখ টাকা খরচ হলেও এক লাখ টাকার পান বিক্রি করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>কয়েকজন চাষির ভাষ্য, বরজ তৈরির বাঁশসহ অন্যান্য উপকরণের দাম অনেক বেড়েছে। প্রতি বিড়া পান ৫০ টাকার বদলে অন্তত ৮০ টাকা হলে চাষিদের জন্য ভালো হতো।</p><p>মৌগাছি হাট শুরু হয় ফজরের নামাজের পর, চলে সকাল নয়টা পর্যন্ত। ভোরে গিয়ে দেখা যায়, হাটে পান নিয়ে এসেছেন চাষিরা। হাটের ভেতরে জায়গা না হওয়ায় অনেক চাষি রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের দুই পাশে বসেছেন। হাঁকডাকে চলছে পান বিক্রি। এক পাশে পানের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে সুপারি।</p><p>হাটে কথা হয় মোহনপুরের ত্রিমোহনী এলাকার চাষি মো. ইয়ামিন আলীর সঙ্গে। তিনি ১০ কাঠা জমিতে পান চাষ করেন। ইয়ামিন আলী বলেন, বরজ পরিচর্যায় বছরে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। খইল, সার, কীটনাশক ও সেচে বড় অঙ্কের টাকা চলে যায়। অথচ হাটে প্রতি বিড়া ২০ টাকা দাম বলা হচ্ছে। ‘প্রতি বিড়া ৫০ টাকা না পেলে টিকে থাকা কঠিন,’—বলেন তিনি।</p><p>ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পানের দাম মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। পঞ্চগড়ে পান পাঠানো আড়তদার মো. মাইনুল ইসলাম বলেন, হাটে পান বেশি এলে দাম কমে যায়। আবার সরবরাহ কম থাকলে দাম বেড়ে যায়।</p><p>ব্যবসায়ী মো. তজিবর বলেন, পানের মান ও মৌসুমের ওপর দাম ওঠানামা করে। তাঁরা ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় পান সরবরাহ করেন। মোহনপুরের ব্যবসায়ী তৈবুর রহমান বলেন, সরবরাহ ও চাহিদার পরিবর্তনের কারণে দামে পার্থক্য হয়।</p><p>চাষিরা বলছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে পানের দাম বাড়তে পারে। তাঁদের ভাষ্য, এখন ১টি পানগাছে ১৫ থেকে ১৬টি পাতা রয়েছে। কিছুদিন পর তা কমে ছয় থেকে সাতটিতে নেমে আসবে। এ ছাড়া অনেকের বরজ পচে বা মরে যেতে পারে।</p><p>দুর্গাপুরের চাষি মিজানুর বলেন, কার্তিক থেকে চৈত্র পর্যন্ত শীতের মৌসুমে পানের উৎপাদন কমে গেলে প্রতি বিড়ার দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে। কিন্তু বছরের অন্য সময়ে কম দামে পান বিক্রি করে যে লোকসান হয়, তা পোষানো কঠিন।</p><p>কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর রাজশাহী জেলায় ৫ হাজার ২০ হেক্টর জমিতে পান চাষের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮৬ হাজার ৮২৪ মেট্রিক টন। গত বছর জেলার ৯টি উপজেলায় ৪ হাজার ৫০৯ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়েছিল। উৎপাদিত হয়েছিল ৭৯ হাজার ৬৮১ মেট্রিক টন।</p><p>রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, বর্ষায় পানের উৎপাদন বেশি হওয়ায় এ সময়ে দাম কিছুটা কম থাকে। তবে অন্য মৌসুমে কৃষকেরা ভালো দাম পান।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 18 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ খুলনায় দুই সপ্তাহে ৭৬৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, সাত মাসে ছিল ৭৯৬ ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r4jwj26pej</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r4jwj26pej</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 05:56:02 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ উত্তম মণ্ডল ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ জেলা ]]></category>
        <description><![CDATA[ আগস্টে এসে হঠাৎ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালে শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোতলায় উঠলেই চোখে পড়ে করিডরজুড়ে রোগীদের ভিড়। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/9ce25gxp/KHULNA-DENGU-1.JPG" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>আগস্টের প্রথম সাত দিনে খুলনায় ২২৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এর পরের সপ্তাহে এ সংখ্যায় বড় লাফ দেখা গেছে। ৮ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সাত দিনে নতুন করে ৫৪৬ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগস্টের ১৪ দিনে ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।</p><p> খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে খুলনায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৯৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৯৭ জন তখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ওই সময় পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল সাতজনের। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ৬৯২ জন।</p><p>আগস্টে এসে হঠাৎ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় হাসপাতালে শয্যাসংকট দেখা দিয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দোতলায় উঠলেই চোখে পড়ে করিডরজুড়ে রোগীদের ভিড়। জায়গার সংকটে কেউ কেউ মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মেডিসিন ইউনিটের বারান্দাতেও একই চিত্র। ডেঙ্গু রোগীদের আলাদাভাবে শনাক্ত করাও কঠিন। সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তাঁরা। ডেঙ্গু কর্নারও রোগীতে পূর্ণ।</p><p>হাসপাতালের প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. হামিদুল ইসলাম খান বলেন, ডেডিকেটেড ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ১৫টি শয্যাই পূর্ণ। তবে ওই ওয়ার্ডের বাইরেও রোগী রাখতে হচ্ছে। এতে কিছুটা ঝুঁকি থাকে। তবে রোগীরা এসব বুঝতে চাচ্ছেন না। রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে।</p><h3>রেড জোনে নগরের চার ওয়ার্ড

</h3><p>ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) মশকনিধন কার্যক্রম তদারকিতে তিনটি টিম গঠন করেছে। নিয়মিত কর্মসূচির পাশাপাশি ক্রাশ প্রোগ্রাম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল এবং অপরিচ্ছন্ন বাড়ি ও স্থাপনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p><p>হাসপাতাল থেকে পাওয়া ডেঙ্গু রোগীদের তথ্যের ভিত্তিতে নগরের ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান খান জানান, ২২ নম্বর (কাস্টম ঘাট ও কয়লাঘাট), ২৮ নম্বর (পশ্চিম টুটপাড়া, মিয়াপাড়া ও কারাপাড়া), ২৯ নম্বর (হাজী মহসিন রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, টিবি ক্রস রোড ও গগন বাবু রোড) এবং ৩০ নম্বর (টুটপাড়া ও মতিয়াখালী) ওয়ার্ডকে রেড জোনে রাখা হয়েছে। ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৪ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডকে অরেঞ্জ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p><p>সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে ওষুধ স্প্রে ও ফগিং, ডেঙ্গুপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো হচ্ছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p><p>ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে কেসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, আগামী তিন মাসের জন্য মশকনিধনের ওষুধ মজুত আছে। অতিরিক্ত ওষুধ কেনার জন্য টেন্ডার করে এগিয়ে রাখা হচ্ছে, যাতে সংকট তৈরি না হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান শুরু করেছি। এটি ১৫ দিন চলবে। আমাদের ক্রাশ প্রোগ্রামও চলমান আছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/5f0at95c/KHULNA-DENGU-2.JPG" /></figure><h3>হাসপাতালে রোগীর চাপ

</h3><p>গত শনিবার সরেজমিনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে ডেঙ্গু রোগীদের মশারি ব্যবহার করতে দেখা যায়নি।</p><p>হাসপাতালে ভর্তি অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাহরিয়ার মাশফি ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত নগরের টুটপাড়া বড়খালপাড় এলাকার বাসিন্দা। চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি সে। শাহরিয়ার জানায়, তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। তবে প্লাটিলেট কিছুটা কমেছে।</p><p>‘রেড জোনের’ মুন্সীপাড়া এলাকার বাসিন্দা খুরশীদা বেগম পাঁচ দিন ধরে অসুস্থ। ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে পরীক্ষায় তাঁর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। সেখানে শয্যা না পেয়ে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তিনি জানান, তাঁর মেয়েরও ডেঙ্গু হয়েছিল। মেয়েটি এখন বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে এবং আগের চেয়ে ভালো আছে।</p><p>রেড জোনের চানমারী বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমুল ইসলাম জানান, একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা করানোর পর তাঁর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। তাঁর মেয়েরও একই সময়ে ডেঙ্গু হয়েছিল। মেয়েকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।</p><p>খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ আগস্ট নতুন করে ৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। ওই দিন পর্যন্ত সেখানে ডেঙ্গু রোগী ছিলেন ১৪৬ জন।</p><p>হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ মোহাম্মাদ প্রথম আলোকে বলেন, মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডেও রোগী রাখা হচ্ছে। হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতেও রোগী রাখতে হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতালে ওষুধ ও কিট পর্যাপ্ত রয়েছে। এমনিতেই শয্যার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। রোগীর চাপ আরও বাড়লে পৃথক ইউনিট খোলার প্রস্তুতি আছে।</p><p>খুলনার আরেক বড় সরকারি হাসপাতাল ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. রফিকুল ইসলাম গাজী প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের দুটি ওয়ার্ডে শয্যা মাত্র ২৫টি। সেখানে শুধু ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪০ জন। শনিবার ২৩ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন, অথচ ভর্তির জন্য তার চেয়ে বেশি রোগী অপেক্ষা করছেন। শয্যাসংকট মারাত্মক। তবে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট ও চিকিৎসাসামগ্রীর পর্যাপ্ত মজুত আছে।</p><p>বেসরকারি খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, কোনো শয্যা ফাঁকা নেই। ৩০০ শয্যার হাসপাতালটির সব শয্যাতেই রোগী। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী ৩৫ জন।</p><h3>উপজেলার মধ্যে রোগী বেশি রূপসায়

</h3><p>খুলনা বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৭৯৬ জন। এর বিপরীতে ১ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৭৬৪ জন। অর্থাৎ মাত্র দুই সপ্তাহে আগের সাত মাসে ভর্তি হওয়া রোগীর প্রায় সমানসংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৯৭ থেকে বেড়ে ২৩৭ জন হয়েছে। আর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৭ থেকে বেড়ে হয়েছে ১১ জন।</p><p>১৪ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৬০ জনে। ৮ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন করে ৫৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৩১ জন বেসরকারি হাসপাতালে, ২০১ জন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ২১৪ জন খুলনার অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ১৪ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ২৩৭ জন। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৩১২ জন।</p><p>খুলনার সিভিল সার্জন মোছা. মাহফুজা খাতুন বলেন, খুলনার নয়টি উপজেলার মধ্যে রূপসা উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেশি। অন্য আটটি উপজেলায় পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক। রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন রোগী ভর্তি আছেন। সব উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিটের সংকট নেই।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 19 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ৬৪ জেলায় ডেঙ্গু,  কোথায় কোথায় বেশি ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/958doqb1hj</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/bangladesh/958doqb1hj</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 05:46:04 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ শিশির মোড়ল ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ বাংলাদেশ ]]></category>
        <description><![CDATA[ তবে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর সংক্রমণ গত বছরের চেয়ে কম দেখা যাচ্ছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৩ হাজার ৯৭৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-12-02/ifamyps1/Dangue.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ডেঙ্গু এখন দেশের ৬৪ জেলায়। দক্ষিণের জেলা পিরোজপুরে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। কেন পিরোজপুরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি—এর কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না।</p><p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের সর্বশেষ রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে বলেছে, গত এক সপ্তাহে দেশের ছয়টি জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই তালিকায় আছে ঝালকাঠি, খুলনা, পিরোজপুর, বান্দরবান, ঢাকা ও ময়মনসিংহ।</p><p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত পিরোজপুর জেলায় ১ হাজার ১৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ জন। আর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ৭৬ জন। গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত এ জেলায় ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ৪৭৭ জন।</p><blockquote>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের সর্বশেষ রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে বলেছে, গত এক সপ্তাহে দেশের ছয়টি জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই তালিকায় আছে ঝালকাঠি, খুলনা, পিরোজপুর, বান্দরবান, ঢাকা ও ময়মনসিংহ।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-22/9vymq2a9/6.-MymensinghDH169420260722WhatsApp-Image-2026-07-22-at-4.23.47-PM-4.jpg" /></figure><p>গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন ৮০৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ বছর মোট ২৩ হাজার ৯৭৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৭০ জন। গতকাল দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৭৪৯ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।</p><p>সরকারি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বরাবরের মতো এ বছরও ঢাকায় বেশি রোগী দেখা যাচ্ছে। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে এ পর্যন্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন ৯ হাজার ৫৩৯ জন।</p><p>অন্য সাত বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে এ পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫৯ জন। এরপর পর্যায়ক্রমে আছে চট্টগ্রামে (৩,৯২২), খুলনায় (৩,১৭৯), ময়মনসিংহে (১,১১১), রাজশাহীতে (১,০৬৭) ও রংপুরে (৬৬৮) জন। ডেঙ্গু রোগী সবচেয়ে কম শনাক্ত হয়েছেন সিলেট বিভাগে—১৩৩ জন।</p>ছয় মাসের শিশুটি হাম-ডেঙ্গু দুটি রোগেই আক্রান্ত<aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/6uoijtlnmk">ছয় মাসের শিশুটি হাম-ডেঙ্গু দুটি রোগেই আক্রান্ত</a></aside><h3>সমস্যা বড় হচ্ছে</h3><p>কিটতত্ত্বিবদেরা আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়বে। সরকারি হিসাবে দেখা যাচ্ছে, মে মাসে দেশের হাসপাতালগুলোয় ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছিলেন ৭১৪ জন। জুনে রোগী বেড়ে হয় ২ হাজার ৯০৭ জন। জুলাই মাসে ৯ হাজার ২০৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। আর আগস্টের প্রথম ১৬ দিনে সারা দেশে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৬৬৮ জন।</p><p>তবে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুর সংক্রমণ গত বছরের চেয়ে কম দেখা যাচ্ছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ২৩ হাজার ৯৭৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৭০ জন। আর গত বছর এ সময়ে মোট রোগী ছিল ২৫ হাজার ৯১২ জন। আর মারা যান ১০৪ জন।</p><blockquote>অন্য সাত বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে এ পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৩৫৯ জন।</blockquote><h3>নতুন ঝুঁকি পিরোজপুর</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-07/e3d4f52c-d15b-4d09-abb7-a8c61f9ea265/b7839202-936f-4fdc-ab65-55a4e58a8244.jpg" /></figure><p>গত বছর দক্ষিণের জেলা বরগুনায় ডেঙ্গু প্রকোপ বেশি ছিল। গত বছর এ জেলায় ৯ হাজার ৫৩৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১৫ জন। এখানে ডেঙ্গুতে এত আক্রান্ত আর মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘটেনি।</p><p>অনেকের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণের জেলাগুলোয় ডেঙ্গু বাড়ছে। বরগুনা শহরের অনেক স্থানে পানি জমে থাকে। মানুষ বৃষ্টির পানি ধরে রাখে। এসবই মশার বংশবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।</p><p>গণমাধ্যমে লেখালেখি ও সংবাদ প্রকাশের কারণে জেলা প্রশাসন ও নাগরিক সমাজ মশা নিধনে নানা উদ্যোগ নেয়। সে কারণে হয়তো এবার বরগুনায় গত বছরের মতো ডেঙ্গুর ব্যাপক সংক্রমণ দেখা দেয়নি।</p><blockquote>অনেকের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণের জেলাগুলোয় ডেঙ্গু বাড়ছে। বরগুনা শহরের অনেক স্থানে পানি জমে থাকে। মানুষ বৃষ্টির পানি ধরে রাখে। এসবই মশার বংশবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।</blockquote><p>গত বছর বেশ কয়েক মাস ধরে বরগুনায় যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তেমন কিছু্ই করা হয়নি পিরোজপুর জেলায়। পিরোজপুর শহরের বহু স্থানে এখন বর্ষার পানি জমে আছে। শহর ও জেলার মানুষ বৃষ্টির পানি ধরে রাখেন। কিন্তু মশা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর কাজ হাতে না নিলে এ জেলার ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।</p><div><blockquote>দেশব্যাপী জোরালো উদ্যোগ নেওয়া না হলে আগামী বছর অন্য কোনো জেলায় এ সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দিতে পারে।</blockquote><span class="attribution">আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জনস্বাস্থ্যবিদ মোশতাক হোসেন</span></div><p>সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা জনস্বাস্থ্যবিদ মোশতাক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গত বছর বরগুনায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিলে সেখানে সরকার ও নাগরিক সমাজ মশা নিধনে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু পিরোজপুরে কোনো জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়নি। দেশব্যাপী জোরালো উদ্যোগ নেওয়া না হলে আগামী বছর অন্য কোনো জেলায় এ সমস্যা প্রবলভাবে দেখা দিতে পারে।</p>জুলাইয়ে ৩৬ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯২০৬<aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/ifve00nefm">জুলাইয়ে ৩৬ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯২০৬</a></aside> ]]></content:encoded>
    </item>

    <!-- Item 20 -->
    <item>
        <title><![CDATA[ ‘আম্মাজান’–এর পর এমন কোনো চরিত্র পাইনি, যা আমাকে মুগ্ধ করেছে ]]></title>
        <link>https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/telixzg2bd</link>
        <guid isPermaLink="true">https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/telixzg2bd</guid>
        <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 05:46:04 +0000</pubDate>
        <dc:creator><![CDATA[ মনজুর কাদের ]]></dc:creator>
        <category><![CDATA[ আলাপন ]]></category>
        <description><![CDATA[ ষাটের দশকে তাঁর অভিনয়ের শুরু। টানা কাজ করেছেন নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত। কয়েক দশকজুড়ে একচেটিয়া দর্শকদের মনের নায়িকা হয়ে রাজত্ব করেছেন শবনম। একচ্ছত্র এমন ধারাবাহিক সফলতা চলচ্চিত্রজগতে বিরল। ]]></description>
        <enclosure url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/9lsbxrci/04.jpg" length="102400" type="image/jpeg" />
        <content:encoded><![CDATA[ <p>ষাটের দশকে তাঁর অভিনয়ের শুরু। টানা কাজ করেছেন নব্বই দশকের শেষ পর্যন্ত। কয়েক দশকজুড়ে একচেটিয়া দর্শকদের মনের নায়িকা হয়ে রাজত্ব করেছেন <strong>শবনম</strong>। একচ্ছত্র এমন ধারাবাহিক সফলতা চলচ্চিত্রজগতে বিরল। অথচ ছোটবেলায় তিনি কখনো নায়িকা হতে চাননি। ছিলেন টমবয়। ক্রিকেট, ঘুড়ি ওড়ানো, মার্বেলসহ সব ধরনের খেলাধুলা ছিল তাঁর প্রিয়। স্কুলজীবন শেষ হতে না হতেই তিনি হয়ে উঠলেন পুরোদস্তুর নায়িকা। শুধু বাংলাদেশ নয়, পাকিস্তানের সবচেয়ে প্রভাবশালী নায়িকার তালিকায় উঠে আসে তাঁর নাম। ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পান শবনম। তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৫। পরের বছর উর্দু চলচ্চিত্র ‘চান্দা’তে অভিনয় করে তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানে তারকাখ্যাতি পান। দুটি ছবি মুক্তি পায় ঢাকা থেকে, এরপর সমগ্র পাকিস্তানে মুক্তি পায় ‘তালাশ’, হয় ব্যবসাসফল। ষাটের দশকের মাঝামাঝিতে পাকিস্তানের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পান শবনম। দুই দেশ মিলিয়ে ১৮০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। মা–বাবার ঝর্ণা বসাক একদিন দুই দেশের মানুষের কাছে হয়ে উঠলেন শবনম। আজও তিনি শবনম হয়েই আছেন। বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাঁকে আজীবন সম্মাননা প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজ তাঁর ৮০ বছর পূর্ণ হবে। জন্মদিন ও আজীবন সম্মাননাসহ জীবনের নানা দিক নিয়ে সম্প্রতি বরেণ্য অভিনয়শিল্পী শবনম তাঁর ঢাকার বারিধারার ডিপ্লোম্যাট এলাকার বাসায় দীর্ঘ আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন প্রথম আলোর সঙ্গে। বাংলাদেশে ও পাকিস্তানের জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। জানিয়েছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনের পর কেন ফিরে আসেননি সেই প্রসঙ্গেও। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন <strong>মনজুর কাদের</strong>। সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব</p><p>পাকিস্তানের লাহোরে যখন অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন, তখন বাংলাদেশ থেকে আপনার সঙ্গে গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ‘সন্ধি’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য যোগাযোগ করা হয়। ১৯৮৭ সালের ওই সময়ে পাকিস্তানে এত ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয়ের ক্ষেত্রে আপনার মনের মধ্যে কোন ভাবনা কাজ করেছিল?</p><p><strong>শবনম:</strong> বাংলা ছবি, নিজের ভাষায় কাজ করব, এটার আনন্দ তো অন্য রকম। খোকা ভাই (সাংবাদিক আহমেদ জামান চৌধুরী) আমাকে ছবিটিতে অভিনয়ের জন্য বুঝিয়েছিল, গল্পটা নিয়েও কথা বলেছিল। আমার দেবর অশোক ঘোষও ছবিটি করতে বলেছিল। খোকা ভাইয়ের কথায় আমি প্রথমে রাজি হলাম। আমাকে যখন ‘সন্ধি’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রথম প্রস্তাব দেওয়া হয়, তখন আমি লন্ডনে, ছেলে রনির সঙ্গে সময় কাটাতে গেছি। খোকা ভাই ফোন করে বললেন, ঝর্ণা, গাজী ভাই খুব ভালো ডিরেক্টর। তুমি ছবিটা করো। ভালো লাগবে কাজটা করে। আমি জানতাম গাজী ভাই গান লেখেন। যা–ই হোক, এরপর আমাদের কথা হয়, শুটিংয়ের দিন–তারিখ জিজ্ঞেস করলাম। গাজী (গাজী মাজহারুল আনোয়ার) ভাই আমাকে বললেন, টানা এক মাস লাগবে।</p><p>তখন মনটা একটু খারাপ হলো। এই বুঝি নিজের দেশের ছবিটা ছেড়ে দিতে হবে। আমি তখন গাজী ভাইকে বললাম, আমাকে একটু সময় দেন, লন্ডন থেকে পাকিস্তানে যাই। ডায়েরি দেখে আপনাকে জানাই। শুটিংয়ে কার কী ডেট, না দেখে তো বলতে পারছি না। লাহোরে গিয়ে দেখে জানাই। গাজী ভাই আমাকে বললেন, এটা আপনাকে করতেই হবে। যেভাবে পারেন ম্যানেজ করেন। টেলিফোনে সব কথা হচ্ছে। বললাম, গাজী ভাই, আই অ্যাম রেডি টু ডু। শুধু ডেটটা অ্যাডজাস্ট করতে হবে। বললেন, আমার হিরো রাজ্জাক সাহেব, তিনি এখন টপে। তার ডেট যদি মিস করি তাহলে মুশকিল হয়ে যাবে।</p><p>&nbsp;নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে তো আপনার এর আগেও শুটিং হয়েছিল?</p><p>&nbsp;<strong>শবনম :</strong> হয়েছিল, ‘নাচের পুতুল’। তারপর আর কোনো ছবি হয়নি। লাহোরে এসে ডায়েরিতে দেখি যা–তা অবস্থা। কীভাবে যে সময় বের করি। তারপর সেখানকার প্রযোজক–পরিচালক সবার সঙ্গে কথা বলে কোনোভাবে সময় বের করি। লাহোরের কাউকে বলিনি যে ঢাকায় যাব। সবাইকে অ্যাডজাস্ট করে ঢাকায় এলাম। কারোরই কোনো ক্ষতি করিনি। তারপর এখানকার শুটিং শেষ করলাম।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/z8yg32qq/06.jpg" /></figure><p>&nbsp;&nbsp;এই যে লাহোরে এত এত ছবির শিডিউল সমন্বয় করে ঢাকায় এলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ‘সন্ধি’ করতে। কেমন ছিল ঢাকায় শুটিংয়ের প্রথম দিন?</p><p>&nbsp;<strong>শবনম:</strong> আমি খুবই এক্সাইটেড ছিলাম। অনেক বছর পর নিজের দেশে শুটিং। এফডিসিতে শুটিং। রাজ্জাক সাহেব, জাফর ইকবালও শুটিংয়ে ছিলেন, তাঁরা দুজনেই হিরো। এত দিন পর এসে শুটিং, অন্য রকম লাগছিল। আমি তো তখন পাকিস্তানে টপ হিরোইন, কিন্তু এখানে কী? কিছুই না। রেডি হয়ে গেলাম সেটে। গাজী ভাই সেটে এসে বুঝিয়ে দিলেন। দুই–তিনবার স্ক্রিপ্ট পড়লাম, মুখস্থ করলাম। শুটিংয়ে যখন দাঁড়িয়েছি, দেখি, প্রম্পট করা হচ্ছে! প্রম্পট করে আমি তখন মহড়া একটা করলাম। এরপর বললাম, গাজী ভাই, এই ছবি আমি করব না! কেন? প্রম্পট করার অভ্যাস আমার নেই। আমি প্রম্পট করার পর আমার হিরোর প্রম্পট হচ্ছে, এরপর আবার আমার। এতে করে আসলে আমার ইমোশন থাকছে না। সরি, আমি কাজটা করতে পারব না। এভাবে কাজ করতে আমি অভ্যস্ত নই। যদি করতে হয়, স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করে করতে হবে। বাংলা ছবি পেয়েছি বলেই যে সেটা করব, তা কিন্তু না। সেদিনের শুটিং ক্যানসেল হলো। তারপর রাজ্জাক সাহেব জাফরসহ সবাই মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিল, স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করে করা হবে। রাজ্জাক সাহেব বললেন, আমি মুখস্থ করব। জাফর বলল, আমিও মুখস্থ করব। এটা আমাদের ভাষা, আমরা স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করে করব না কেন। ম্যাডাম (শবনম) ওখানে মুখস্থ করে কাজ করেন, প্রম্পট করে আসলে আবেগটা পাওয়া যায় না। তারপর সবাই মুখস্থ করেছিল। এরপর আমরা ‘সন্ধি’ ছবিটার কাজ করি। ‘সন্ধি’ মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালে। পরের বছর অশোক ঘোষের ‘জুলি’ করলাম। একই বছরে মইনুল হোসেনের ‘যোগাযোগ’ ছবির কাজ করি। ১৯৮৯ সালের একই ঈদে আমার দুটি ছবি মুক্তি পায়, একটি সুভাষ দত্তের ‘সহধর্মিণী’ অন্যটি গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ‘শর্ত’। এরপর একে একে কাজ করি হোসেইন আনোয়ারের ‘সন্দেহ’, অশোক ঘোষের ‘সমস্যা’, মমতাজ আলীর ‘কারণ’, এফ এ বেনুর (ফজল আহমেদ বেনজীর) ‘মহামিলন’, ফজলে হকের ‘সম্পর্ক’। রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনের ‘প্রেম শক্তি’ ছবিটি আমার ভালো লাগার একটি গল্প। এই ছবি পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয়ও করেন রাজ্জাক। এভাবে ওই সময়টায় পাকিস্তান–বাংলাদেশ নিয়মিত কাজ করতে থাকি।</p>নায়িকাদের একধরনের নখরামি থাকে, প্রাউডনেস থাকে, এটা আমি এখনো শিখিনি <aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/hvw5invuf5">নায়িকাদের একধরনের নখরামি থাকে, প্রাউডনেস থাকে, এটা আমি এখনো শিখিনি </a></aside><p>&nbsp;তার মানে আপনি যত সিনেমায় অভিনয় করেছেন, সব ছবির স্ক্রিপ্ট মুখস্থ করেছেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> সব সময় করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, মুখস্থ থাকলে যে দৃশ্যে যে আবেগ দরকার, তা ঠিকঠাক দিতে পারব। কিন্তু প্রম্পটে এই আবেগ আসে বলে মনে হয় না। এতে বরং অভিনয়ের ডিস্টার্ব হয়। এরপরও বাংলাদেশে যত ছবি করেছি, সব মুখস্থ করে। কাজী হায়াতের ‘আম্মাজান’ করেছি, মুখস্থ করেছি, এই ছবিতে মান্না ছিল আমার সঙ্গে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/kffhx98j/09.jpg" /></figure><p>বাংলাদেশ–পাকিস্তান দুই দেশে কাজ করেছেন। দুই দেশে কাজের পরিবেশ ও ধরন আপনার দৃষ্টিতে কেমন ছিল?</p><p><strong>শবনম:</strong> পাকিস্তানে আমি যখন গেলাম তখন বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থান ছিল পাকিস্তানের। টেকনিক্যাল সাইডগুলোতে পাকিস্তান ভালো ছিল, যেমন লেটেস্ট ক্যামেরা। তবে ওভারঅল ছবির বিষয় যদি বলতে হয়, তাহলে আমি বলব, বাংলাদেশের সিনেমার মান পাকিস্তানের চেয়ে ভালো ছিল। পাকিস্তানি সিনেমায় বাণিজ্যিক দিকটাকে বেশি প্রাধান্য দিত।&nbsp; গর্জিয়েস সেট বানাত। মিউজিকও বেশ ভালো হতো। পর্দায় দৃশ্য দেখলে চোখের একটা আরাম ছিল। সিনেমার ডাবিংও বেশ ভালোভাবেই হতো। বাংলাদেশের সিনেমার সেটসহ অন্যান্য বিষয়গুলো একটু গরিব গরিব মনে হতো। তবে গল্পে বাংলাদেশিরা দারুণ এগিয়ে ছিল পাকিস্তানের চেয়ে, এই গল্পগুলো মানুষের মনে গেঁথে থাকত।</p><p>কবে সিদ্ধান্ত নিলেন বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে ফিরে আসবেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> ‘রানি বেটি রাজ কারেগি’ ছবিটি শেষ হলেও তার চার–পাঁচ বছর আগেই সিদ্ধান্ত নিই বাংলাদেশে চলে আসব। পাকিস্তানে আর নতুন কোনো ছবিতে সাইন করব না। ‘আয়না’ ছবিটি পাকিস্তানের ব্যাম্বিনো প্রেক্ষাগৃহে একটানা ছয় বছর চলেছে, এর পরিচালক বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম, মিউজিকে ছিল রবীন ঘোষ। ওই ছবিতে না ছিল কমেডি, না ছিল ফাইট—ওটা শুধুই সামাজিক প্রেক্ষাপটের একটা গল্প, তাতেই বিশাল হিট।</p><p>যত দূর জানি, আপনি যখন বাংলাদেশে কাজ শুরু করলেন নতুন করে, তখন শাবানা বাংলাদেশে একচেটিয়া কাজ করছেন। কেউ কেউ বলেন, আপনার সঙ্গে শাবানার একটা স্নায়ুযুদ্ধ ছিল।</p><p><strong>শবনম:</strong> বাংলাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শাবানার সঙ্গে ছিল মনে হয় না, ছিল শাবানার স্বামী ওয়াহিদ সাদিকের সঙ্গে। সবই জানতাম; কিন্তু না জানার ভান করেছি। তবে শাবানার সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। ও তো আমার জুনিয়র ছিল। ‘তালাশ’–এ সে এক্সট্রাতে কাজ করল, গানে। শাবানা এখনো দেখলে খুব ভালো ব্যবহার করে। আমিও করি। শাবানার সঙ্গে তো আমার কিছু না, যা কিছু করেছে তার স্বামী করেছে। আমার একটা ছবির শুটিংও বন্ধ করে দিয়েছিল। জসীম হিরো ছিল, ফজলে হক পরিচালিত ছবিটির নাম ‘সম্পর্ক’।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-13/hhosw1q9/WhatsApp-Image-2025-09-13-at-10.55.22-1.jpeg" /></figure><p>তার মানে আপনার আগমনে শাবানার প্রযোজক স্বামী ঘাবড়ে গেলেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> শাবানার স্বামীর কাজকর্মে বিষয়টা তাই মনে হয়েছিল। ওয়াহিদ সাদিক হয়তো ভাবছিল, সব ছবি বুঝি এখন শবনম করবে। কিন্তু আমি তো মাত্র গেলাম। আমি তো প্রথম যেদিন এফডিসির স্টুডিওতে যাই, গিয়েছিলাম গাড়ি চালিয়ে। এখনো গাড়ি চালাই। গাড়ি চালিয়ে ঢোকার পরপর এফডিসিতে হইচই পড়ে গেল—সবাই বলাবলি করছিল, হিরোইন নিজেই গাড়ি চালিয়ে এসেছে। আমার দেবর (অশোক ঘোষ, পরিচালক) বলল, কী সর্বনাশ করলেন, এফডিসিতে গাড়ি চালিয়ে গেলেন। আমি বললাম, আমার তো ড্রাইভার নেই। সকাল সকাল পৌঁছাতে হবে। গাড়ি বাসায়, গাড়ি চালিয়ে যাব না, তো কি? গাড়ি চালিয়ে যেতে আমার তো কোনো অসুবিধা হয়নি।</p><p>ওয়াহিদ সাদিক যখন এসব করছিলেন, তখন মনে মনে আপনি কী ভাবছিলেন?</p><p><strong>শবনম :</strong> আমি আসলে এসবে মাথাই ঘামাইনি। ১৯৮৯ সালের দিকে একবার আমাকে এফডিসি থেকে বলা হলো, এনওসি ছাড়া বাংলাদেশে কাজ করতে পারব না। জানতে চাইলাম, এটা কি নতুন নিয়ম? বলল, হ্যাঁ। আমিও বললাম ওকে, আমি দেখছি। আমি সোজা চলে গেলাম এরশাদ (হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, সাবেক রাষ্ট্রপতি) সাহেবের কাছে। তাঁর সঙ্গে আমার আগে থেকেই যোগাযোগ ছিল। এরশাদ সাহেব আমাকে দেখে বললেন, কী রে ঝর্ণা, কী ব্যাপার? তুই এখানে? আমিও তাঁকে কোনো ফোন করে যাইনি। তখন অবশ্য এত রেস্ট্রিকশনও ছিল না। আমি বললাম, এরশাদ ভাই এখানে সিনেমায় কাজ করার কী সিস্টেম, আমি কাজ করতে আসছি, আমার নাকি এনওসি লাগবে। আমি তো এই দেশেরই মেয়ে। আমার তো বাড়তি এসব নিয়ম মেনে কাজ করার কিছু নেই। জিজ্ঞেস করলেন, কে বলছে? বললাম, এফডিসি থেকে। ওরা আমার ছবির শুটিং বন্ধ করে দিয়েছে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে কাকে যেন ফোন করলেন এরশাদ ভাই। এফডিসিতে চিঠি পাঠালেন। পরে জেনে গেল সবাই, শাবানার স্বামী আমার শুটিং বন্ধ করেছে! এরশাদ ভাই আমাকে বলেছিলেন, এরপরে যদি কেউ তোর কাজ বন্ধ করে, সঙ্গে সঙ্গে আমাকে জানাবি। এটা আমার ব্যক্তিগত ফোন নাম্বার, তুই রাখ। সঙ্গে সঙ্গে এনওসিও দিয়ে দিল। এত দিন মুখ খুলিনি। দরকারও পড়েনি। আমার আসলে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাসও ছিল। সত্যি বলতে বাংলাদেশে কেউ আমাকে এভাবে জিজ্ঞেসও করেনি, তাই এত দিন এসব কথা বলা হয়নি।</p><p>আপনার কি মনে হয়, ওয়াহিদ সাদিক এসব কখনো উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> শাবানার স্বামীর সঙ্গে আমার অতটা সম্পর্ক ছিল না, শুধু সালাম দেওয়া পর্যন্ত। শাবানার সঙ্গে ভাত খাচ্ছি, চা খাচ্ছি, গল্প করছি—নিশ্চয়ই সে–ও বুঝতে পেরেছে। হয়তো সে আমাকে দেখে লুকিয়ে যেত। তারও তো লজ্জা বা অপরাধবোধ কাজ করেছে। আমাকে গাজী ভাই বলতেন, আপনি এসে ইন্ডাস্ট্রিতে শাবানারে সব শেখাইলেন। আমি বলেছি, আমি কই কী শিখাইলাম। আমাকে বললেন, আপনি গাড়ি চালানো শেখালেন। আপনাকে দেখে মাথায় ফুল দেওয়া শিখল। এটা–সেটা কত কী শিখল। আমি বললাম, কেউ যদি আমারে দেখে শেখে, তা তো ভালো কথা। এটা আমার জন্য আনন্দের।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/lpcwzbwp/14.jpg" /></figure><p>বাংলাদেশের নায়িকাদের মধ্যে কাদের সঙ্গে আপনার আন্তরিক সম্পর্ক ছিল? আর কোন নায়কেরা আপনার জন্য খুবই স্বাচ্ছন্দ্যের ছিল?</p><p><strong>শবনম:</strong> সেভাবে কারও সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক ছিল না। নাসিমা খানের সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক ছিল। কবরী তখন ছোট। শাবানাও ছোট। ববিতার সঙ্গেও কাজ হয়েছে। ওরা দেখলে আপা আপা করত। নায়কদের মধ্যে রহমান ও এরপর রাজ্জাকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। সহশিল্পীর সম্পর্ক ছিল। মজার ব্যাপার হচ্ছে, রহমানের সঙ্গে যখন কাজ করতাম, সবাই বলত রহমানের সঙ্গে আমার প্রেম! অথচ রহমানও আমাকে আপা বলে ডাকত। একবার সিলেটে শুটিংয়ের সময় রহমান ভাইকে আমি বলেছিলাম, আমার তো কোনো ভাই নেই। তখন রহমান ভাই বললেন, আজ থেকে আপনি আমার বোন। এর বাইরে খলিল, আজিম, আলমগীর, জসীমের সঙ্গেও কাজ করেছি।</p><p>তাহলে রহমানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক কেন আলোচনায় ছিল বলে মনে করেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> এটা পুরোপুরি জুটির জনপ্রিয়তার কারণে হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। তখন একটু হেসে কথা বললেই বলত যে প্রেম হয়ে গেছে। প্রেম তো আসলে সেভাবে হয় না। কাজ করতাম, একটা বন্ধুত্ব তো হবেই। কাজ করতে গিয়ে তো আর মুখ ভার করে থাকা যায় না। কাজ করতাম, হাসতাম—এসব দেখেই বলে দিত, প্রেম হয়ে গেছে।</p><p>রুপালি পর্দায় আমরা আপনাকে বেশির ভাগ সময় গ্ল্যামারাস চরিত্রে দেখেছি। কিন্তু ক্যামেরার বাইরের জীবন কেমন ছিল?</p><p><strong>শবনম:</strong> আমার জীবনে সবচেয়ে কষ্টের অভিজ্ঞতা যদি বলি, আমার বাচ্চা। তিন–চার বছর বয়সী ছেলে রনিকে দেশে রেখে পাকিস্তানে থাকতাম। আমার ছেলে তখন খুব কান্নাকাটি করত। পরে যখন ওখানে বাড়িঘর করলাম, তখন মা–বাবাকে নিয়ে গেলাম। ছেলেকেও নিয়ে গেলাম। কাজকর্ম শেষে ভাবতাম, বাসায় গিয়ে ছেলেকে তো দেখতে পাব। আমার জীবনে যদি কোনো কিছু মিস করে থাকি, তাহলে সেটা আমার ছেলেকে সময় দিতে না পারা। এর বাইরে আল্লাহর রহমতে আমার কোনো কষ্ট নেই। নাদিমের সঙ্গেই তো ৫০টি সিনেমা! এত ছবি করেছি যে পরে একসঙ্গে সিনেমায় সাইন করলে মজা করে নাদিম বলত, প্রতিদিন সকালে আপনার চেহারা দেখতে হয়, আমি তো বিরক্ত। আমিও বলতাম, আপনার চেহারা প্রতিদিন দেখে আমিও বিরক্ত। এ রকম খুনসুটি তো চলত আমাদের মাঝে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/6ymtdjdu/16.jpg" /></figure><p>৮০ বছরের জীবন। জীবনের এই সময়টায় এসে বিশেষ স্মৃতি আছে, যা আজও মনে হলে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন?</p><p><strong>শবনম:</strong> মা–বাবার কথা মনে হলে আমার মনটা খারাপ হয়ে যায়। ১৯৯০ সালে আমার মা মারা যান। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম। মা–বাবা দুজনের কারও মৃত্যুর সময়টায় পাশে থাকতে পারিনি। লাহোরের হিলস্টেশনে ছবির শুটিংয়ে ছিলাম। এমন জায়গায় ছিলাম যে সঙ্গে সঙ্গে যে আসব, এই সুযোগও ছিল না। লাহোর থেকে দেখা গেল সকালে রওনা দিলে রাতে পৌঁছাতে হতো, দূরত্বটা ঠিক এ রকম। মায়ের মৃত্যু সকালে হলেও খবরটা রাতে শুনি। বাবারটা পরের দিন। আমার বড় বোন ইচ্ছা করে শোনায়নি আমাকে। বলেছে, মা তো খুব অসুস্থ ছিল। হঠাৎ করে চলে গেল, তোরে খবর দিতে পারিনি। কোথায় আছিস, কী অবস্থায় আছিস, তা তো জানি না।</p><p>অভিনয়ের জন্য পাকিস্তানে ১৬ বার নিগার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। বছরখানেক আগে দেশটি আপনাকে দিয়েছে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ। এত এত সম্মাননা পাওয়ার পরও কি মনে হয় এখনো কিছু বাকি রয়ে গেছে?</p><p><strong>শবনম:</strong> আমি মনে করি, কোনো শিল্পী মনে করে না সে সব শিখে ফেলেছে। প্রত্যেক শিল্পী একেক দিন একেক কিছু শেখে। একজন শিল্পী ভিন্ন রকম কোনো চরিত্র পেলে সব সময় কাজ করতে চায়। আমিও এখন সে রকম কোনো চরিত্র পেলে কাজ করব। যদিও বয়স হয়ে গেছে, পারব কি পারব না, এটা ভেবে যেমনটা লাগে, মনে হয়, ক্যামেরার সামনে গিয়ে দাঁড়ালে সাহসটা এসে পড়বে।</p><p>তাহলে অভিনয় করছেন না কেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> তেমন কোনো চরিত্র তো পাই না। ‘আম্মাজান’–এর পর এমন কোনো চরিত্র পাইনি, যা আমাকে মুগ্ধ করেছে। কয়েক দিন আগেও হায়াৎ ভাইয়ের (কাজী হায়াৎ) সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমি আসলে সব বেছে করেছি বলেই ৪০–৪৫ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পেরেছি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/zfazmn6t/22.jpg" /></figure><p>‘আম্মাজান’ ছবির পর নিশ্চয় ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> পেয়েছিলাম, কিন্তু চরিত্র নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলাম না। তাই করিনি। ‘আম্মাজান’ চরিত্রকে ছাড়িয়ে যাবে, সে রকম কোনো চরিত্র পাইনি।</p><p>এখন বারিধারায় আপনার সময় কীভাবে কাটে?</p><p><strong>শবনম:</strong> ছেলের সঙ্গে থাকি, তাই বেশ উপভোগ করি। মা-ছেলে দুজনে বাইরে বেড়াতে যাই। ঢাকার রাস্তায় ঘুরি। মন চাইলে কোনো রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়ি। পছন্দের খাবার খেয়ে ঘরে ফিরি। এই যে ঘোরাঘুরি, এটা মজা লাগে—যেটা অনেক বছর করা হয়নি। ছেলে আমার ছোটবেলা থেকে লন্ডনে পড়াশোনা করেছে। ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত আমি ছেলেকে সময় দিতে পারতাম না। মাঝেমধ্যে যখন লন্ডন যেতাম, ১৫ দিন কিংবা ১ মাস থেকে আসতাম। আবার ছেলের যখন ছুটি হতো, সে–ও আসত। এই যা। তাই ২৬ বছর ধরে দেশে মা–ছেলের দারুণ সময় কাটছে। বয়স তো হয়েছে। চাইলেও যখন–তখন দূরে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। ঢাকার বিভিন্ন জায়গা এবং আশপাশে ঘোরাঘুরি করি। রবিনের গান শুনি। পুরোনো ছবিও দেখি। রবিনকে তো ভীষণ মিস করি। রবিনের গান শুনে মনে হয়, এখানে যেমন তাঁর গানের শুরুতে, পাকিস্তানের যত ছবিতে কাজ করেছে—একটা ছবির একটা গান হলেও সুপারহিট হতো। ও রকম মিউজিক এখন আর হয় না, যা আমাকে টানে। অথবা আমার কান পর্যন্ত আসে। রবিনের মিউজিকে একটা মাধুর্য ছিল, মাদকতা ছিল। এরপর আমাকে কেউ আকৃষ্ট করতে পারেনি।</p><p>সর্বশেষ শুটিং করেছেন ‘আম্মাজান’, এরপর সিনেমার পর কোনো শুটিং ফ্লোরে যাননি?</p><p><strong>শবনম:</strong> ‘আম্মাজান’ সিনেমার শুটিংয়ের পর কোনো স্টুডিওতে যাইনি, হাতে গোনা কয়েকটি অনুষ্ঠানে গিয়েছি। অনেক ব্যাপার আছে, প্রাণ খুলে সেসব বলতে পারছি না। পারব না। আর বলে লাভও হবে না। আমার মুখ পুরোপুরি বন্ধ। মাঝে অনেক দিন দেশের বাইরে ছিলাম। দেশে আসার পর যা কিছু পেয়েছি, যা দেখেছি, তা নিয়ে মুখ খুলতে চাই না। এর মধ্যে কোনো একদিন শুনবেন, আমি মরে গেছি। তখন এফডিসির লোকজন অস্থির হয়ে উঠবে, সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য। আমি তো আমার ছেলেকে স্পষ্ট বলে দিয়েছি, আমার মরদেহ যেন কোনোভাবেই এফডিসিতে না যায়। রবিন (রবিন ঘোষ, প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক, শবনমের স্বামী) সাহেবও বলে গিয়েছিলেন, তাঁর মরদেহও সেখানে নেওয়া হয়নি।</p><p>যে এফডিসিতে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন, দিনের অনেকটা সময় থেকেছেন, সেই জায়গা নিয়ে এত অভিমান?</p><p><strong>শবনম:</strong> অবশ্যই কারণ আছে। আমি তো বলেছি, বলব না। এফডিসি থেকে কত সম্মান পাচ্ছি, তা তো বলে শেষ করতে পারব না! হ্যাঁ, এটা ঠিক, মরে গেলে ফুলের মালা দেব, হয়ে গেল, তাই না। এই সুযোগ আমি কাউকে দিতে চাই না। এফডিসিতে কাউকে আমার মরদেহ নিয়ে মায়াকান্না কাঁদার সুযোগ দেব না। আমি যেভাবে নিজের বাসায় চুপচাপ আছি, সেভাবেই ভালো আছি। শান্তিতে আছি। আমি শিল্পী। আমি আমার মতো আছি। খুব ভালো আছি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/re0obzyy/24.jpg" /></figure><p>পুরোনো ছবির গান বা দৃশ্য দেখলে কি আপনাকে আবেগময় করে তোলে?</p><p><strong>শবনম:</strong> মাঝেমধ্যে দেখলে হাসি পায়। ভাবতে থাকি, এত ভুলত্রুটি ছিল, তারপরও মানুষ আমাকে পছন্দ করেছে। এখন কাজ করলে হয়তো আরেকটু ভালো করতে পারতাম। আত্মবিশ্বাস এখন আগের চেয়ে বেশি। এখন করলে হয়তো আরও ভালো করতে পারতাম। তখন তো নতুন বিয়ে হয়েছে, তাই অনেক হিসাব করে অভিনয় করতে হতো। রোমান্টিক ব্যাপারস্যাপারও অতটা বুঝতাম না।</p><p>রোমান্স ব্যাপারটা কখন বুঝলেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> রোমান্স ব্যাপারটা আমি পাকিস্তানে যাওয়ার পর বুঝলাম। দেখলাম বাংলা আর উর্দুর মধ্যে রোমান্স অনেক ভিন্ন। ওখানে রোমান্সটা অনেক বেশি লাউড, আমাদের এখানে ঠিক তার বিপরীত। আমি যখন কাজ করতে গিয়েছিলাম তখন একটা চ্যালেঞ্জও ছিল, তবে কেউ কখনো বলতে পারবে না, শবনম ভালগার কিছু করেছে। গানে এমন কোনো পোশাক পরেছি, যা দৃষ্টিকটু লেগেছে—তখনকার কোনো পত্রপত্রিকায়ও এমন কোনো খবর পাওয়া যাবে না। আমি বাঙালি মেয়ে, এই ব্যাপারটা আমার মাথায় সব সময় থাকত।</p><p>দুই দেশ মিলিয়ে আপনার সবচেয়ে কাছের বন্ধু কে?</p><p><strong>শবনম:</strong> সবচেয়ে কাছের বন্ধু জেবা, সে–ও হিরোইন (পাকিস্তান) ছিল। আমরা সমসাময়িক। এখনো প্রায়ই যোগাযোগ হয়। আমি গেলে ওর বাসায় যাই। লাহোরে যখন প্রথম দিকে শুটিং করতাম, তখনো তার বাসায় নিয়ে যেত।</p><p>আপনি সিনেমায় সফল, রবিন ঘোষ সফল। কিন্তু আপনাদের একমাত্র সন্তান রনি ঘোষকে সিনেমা এবং গান কোনো মাধ্যমে পাওয়া গেল না, এর পেছনে কারণ কী?</p><p><strong>শবনম:</strong> ওর নিজের কোনো শখ ছিল না। রনিকে ভারত থেকে প্রস্তাব দিয়েছিল, সুভাষ ঘাই। আমিও গেলাম, ডিনার দিল, বলল যে তুমি কাজ করো। তখন রনি বলল, আমি পড়ালেখা শেষ না করে কাজ করব না। যদি আমার একটা ছবি ফ্লপ হয়, তাহলে আমি যাব কোথায়। তখন সম্ভবত ম্যাট্রিক দিয়েছিল। আমরাও বলেছিলাম, তোমার সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। ও চায়নি, হয়নি। সে লন্ডন থেকে বিজনেস নিয়ে পড়াশোনা করেছে। এখন ব্যবসা করছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/6q9meec3/02.jpg" /></figure><p>অভিনয়ে একটা দীর্ঘ জীবন যাপন করে এসেছেন, এখন যখন পেছন ফিরে তাকান, কী মনে হয়। কী পেলেন, কী হারালেন? জীবন নিয়ে কোনো অনুশোচনা বা অনুতাপ আছে কি?</p><p><strong>শবনম:</strong> আমি আমার ছেলেকে সময় দিতে পারিনি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় মিসিং। যখন ওর জীবনে আমরা বেশি দরকার ছিলাম, তখন আমরা ওকে সময়টা দিতে পারিনি। সঙ্গে থাকতে পারিনি। বুঝতেও পারিনি। এখন সেটা বুঝতে পারি। তবে আমি কোনো দিন সময়ও অপচয় করিনি।</p><p>পরিবারে সময় দিতে গেলে কি নায়িকা হিসেবে এতটা সফল হতে পারতেন?</p><p><strong>শবনম:</strong> ঠিক আছে, নায়িকা…। আমি সব সময় এটাকে ভিন্নভাবে দেখি। একটা কাজের জন্য প্রযোজককে হ্যাঁ করেছি, টাকাপয়সা নিয়েছি—ওটাও আমার দায়িত্ব হয়ে উঠেছিল যে ঠিকঠাকভাবে কাজটা শেষ করা। কমিটমেন্টে আটকে পড়েছিলাম। এসব নিয়ে এখন তাই আফসোস হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/w7nweanw/08.jpg" /></figure><p>একটা বিষয় আপনার কাছে জানতে চাই, যত দূর জানি এটা নিয়ে আপনি কথা বলেননি। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয়, তার পরের কয়েক বছরের মধ্যে অনেক শিল্পী–কলাকুশলী পাকিস্তান থেকে নিজেদের দেশে চলে আসেন। কাজ করেন। কিন্তু আপনি আসেননি, এ নিয়ে অনেক ধরনের কথাও প্রচলিত। আপনার কাছে জানতে চাই, ঠিক কী ভাবনাচিন্তা থেকে আপনার আসাটা হয়নি?</p><p><strong>শবনম:</strong> খুবই চমৎকার প্রশ্ন। এটা নিয়ে আমার আসলে কখনো কিছু বলাও হয়নি। আমি কিন্তু তোমাকে আগেই বলেছি, একই সময়ে চার–চারটি ছবির শুটিংও করেছি। এর মধ্যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। ওখানেও তখন অনেক বাংলাদেশি আর্টিস্ট ছিল, ওরা বোধ হয় টের পেয়েছিল, এ রকম, তাই করাচি থেকে চলে আসে। আমি তখন লাহোরে দিনরাত শুটিংয়ে ব্যস্ত। ওই সময়ে আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। ভাবলাম, শুটিং সব শেষ করে যাব। কিন্তু সেই শেষটা যে আমার পাকিস্তানে ৩০ বছর লেগে যাবে, সেটা জানতাম না। যা–ই হোক, এক সময় মনে খুব টেনেছে, মা–বাবা সবাইকে দেখার জন্য। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর তখন সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা দেওয়া হলো যে পাকিস্তান থেকে কোনো আর্টিস্ট বের হলে, তার এনওসি লাগবে। ১৯৭৪ সালের কোনো একদিন রবিন বলল, তিন বছর হয়ে গেছে, আমরা এখনো এনওসি পাচ্ছি না। তিন বছর ধরে এনওসি চেয়েও পাচ্ছি না। আমি আমার মা–বাবার সঙ্গে দেখা করতে পারছি না। স্বাধীন দেশে যেতে পারছি না। মিনিস্টার তখন বললেন, আমাকে তো এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলেনি! এরপর পিএসকে ডেকে ফাইল খুঁজে আনতে বললেন। পিএস ফাইল খুঁজে পাচ্ছে না জানানোর পর তাকে খুব বকাঝকা করলেন। এরপর ফাইল পাওয়া গেল। খুলেই বললেন, এই দেখেন। এই চিঠির কারণে আপনার এনওসি দেওয়া হচ্ছিল না। পরে দেখলাম, প্রোডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের চিঠি— তারা লিখেছে, শবনমকে এনওসি দেবেন না। তার ওপরে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ। দেখলাম, চিঠিটা দেখে অবাক হলাম। এসব ১৯৭৪ সালের ঘটনা। আমরা এনওসি চেয়েছিলাম, ১৯৭১ সালে। তখন বললাম, আমি চিঠি দেখলাম, কিন্তু আপনি আমাকে এনওসি দেবেন কি দেবেন না সেটা বলেন? বললেন, অবশ্যই দেব। কেন দেব না। তাহলে দেন, আমি মা–বাবার সঙ্গে দেখা করি। দেশে যাই। তারপর এলাম। প্রথমবার এনওসি নিয়ে এক মাস থেকে ফিরে যাই। আমি ফিরে যাওয়ার পর পাকিস্তানের সবাই অবাক হয়েছিল। আমার কাছে আসলে কমিটমেন্ট সব সময় বড় বিষয় ছিল।</p><p>অনেক সময় দিলেন। ধন্যবাদ আপনাকে।</p><p><strong>শবনম:</strong> তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ। অনেক কথা হলো। এত কথা কখনো বলা হয়নি।</p> ]]></content:encoded>
    </item>

</channel>
</rss>
